হাওড়ার ৮০% বুথে বাহিনী
ভোটকর্মীদের বিক্ষোভের সময়ে জেলা নির্বাচন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। ৮০ শতাংশ বুথে বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত সেই বিক্ষোভেরই ফল কিনা, সেই প্রশ্নের কোনও সরাসরি উত্তর মেলেনি। তবে
Election Commission of India

ছবি: সংগৃহীত।

প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে চলতি মাসের গোড়ার দিকে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া হাওড়ার ভোটকর্মীরা। জেলা নির্বাচন দফতর তথা জেলা প্রশাসন প্রাথমিক ভাবে জানিয়ে দিল, ভোটের দিনে জেলার অন্তত ৮০ শতাংশ বুথে বাহিনী থাকবে। ১০০ শতাংশ বুথে থাকবে নিরবিচ্ছিন্ন নজরদারি। এর মধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ বুথে বসবে আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা। যাতে নিজের দফতরে বসে ওই সব বুথের ভিতরে কী চলছে তা সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেখতে পারেন রাজ্য নির্বাচন দফতরের কর্তারা। 

ভোটকর্মীদের বিক্ষোভের সময়ে জেলা নির্বাচন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। ৮০ শতাংশ বুথে বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত সেই বিক্ষোভেরই ফল কিনা, সেই প্রশ্নের কোনও সরাসরি উত্তর মেলেনি। তবে, শুক্রবার জেলা প্রশাসনের এক কর্তা জানান, রাজ্য নির্বাচন দফতর পর্যাপ্ত আধা-সামরিক বাহিনী এবং ১০০ শতাংশ বুথে নজরদারি চালানোর উপকরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তাই ওই সিদ্ধান্ত। এতে আরও স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন করা যাবে।

লোকসভা কেন্দ্র দু’টি—হাওড়া সদর এবং উলুবেড়িয়া। মোট বুথের সংখ্যা ৪,৩১৬। ডোমজুড় এবং জগৎবল্লভপুরের কিছু এলাকা পড়ে হুগলির শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে। আগামী ৬ মে তিনটি আসনেই ভোটগ্রহণ হবে।  একই দিনে উলুবেড়িয়া পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনও রয়েছে।

জেলা নির্বাচন দফতর জানিয়েছে, সব মিলিয়ে কড়া নজররদারির আওতায় প্রতিটি বুথকে মুড়ে ফেলার ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বহু বুথে থাকবে সিসি ক্যামেরা, কিছু বুথে করা হবে ভিডিওগ্রাফি। নির্বাচনে ‘সংবেদনশীল’ বা ‘অতি সংবেদনশীল’ বুথের তালিকা করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসন ওই তালিকা তৈরির সময়ে যে সব বিষয় বিবেচনা করেছে, তার মধ্যে রয়েছে—আগে যে সব নির্বাচন হয়েছে, তাতে ওই সব বুথে কতটা হিংসা হয়েছিল, ভোট প্রদানের হার, এলাকায় দাগি অপরাধীর সংখ্যা ইত্যাদি। কিন্তু নির্বাচনে এই তালিকাকেই চূড়ান্ত বলে মনে করছে না রাজ্য নির্বাচন দফতর। তারা নিজেরাও বিভিন্ন সূত্রে বুথগুলির অবস্থা পর্যালোচনা করেছে। তারপরেই রাজ্য নির্বাচন দফতরের পক্ষ থেকে প্রতিটি বুথে সর্বাত্মক নজরদারি চালানো এবং ৮০ শতাংশ বুথে আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জেলা নির্বাচন দফতরের এক কর্তা জানান।

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের ফল

  • সকলকে বলব ইভিএম পাহারা দিন। যাতে একটিও ইভিএম বদল না হয়।

  • author
    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলনেত্রী

আপনার মত