রেলশহরে পরপর গুলি চলার ঘটনায় প্রতিবাদে থানা ঘেরাওয়ের ডাক দিলেন দিলীপ ঘোষ।

এ দিন তিনি দাবি করেন, ‘‘উপনির্বাচন আসছে। তৃণমূলকে জিততে হবে। তাই ভয়ের পরিবেশ, গুলি, খুন শুরু করেছে। মানুষের মনে মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা থানা, পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাও করব।’’

এ দিন রেল বাংলোয় নিজের কার্যালয়ে ফিরে জেলা ও শহরের বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন দিলীপ। তাঁর দাবি, খড়্গপুরে আগে যে সব যোগ্য পুলিশ অফিসার ছিলেন তাঁরা তৃণমূলকে জেতাতে পারেননি তাই বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এখন যে সব পুলিশ অফিসার খড়্গপুরের দায়িত্বে রয়েছেন তাঁরা রেলশহরের পরিস্থিতি জানেন না। তাই দুষ্কৃতীরা ঘুরে বেরাচ্ছে। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি গৌতম ভট্টাচার্য জানান, শহরে পর-পর গুলি চলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার খড়্গপুর টাউন থানা ঘেরাও করা হবে।

 তৃণমূলের শহর সভাপতি রবিশঙ্কর পাণ্ডের দাবি, ‘‘কে যোগ্য আর কে অযোগ্য পুলিশ সেই তালিকা দিলীপ ঘোষ প্রকাশ করুন। তার পরে আমরা ভাবব। কিন্তু নির্বাচনে জিততে গেলে যদি দুষ্কৃতীদের মদত দিতে হয় তবে বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে দিলীপ ঘোষেরা নিশ্চয় সেটাই করেছেন!’’

 এ দিন সকালে খড়্গপুরের দেবলপুরে গুলিতে জখম সিরাজ মহম্মদের বাড়িতে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। রবিবার দুপুরে বাড়ির অদূরে ভবানীপুরে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। তাঁর সঙ্গে থাকা তিন লক্ষাধিক টাকা-সহ একটি ব্যাগ ছিনতাই হয় বলেও অভিযোগ। তাঁর পরিজনেদের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন দিলীপ।