• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

‘হাত’ ছেড়ে নন্দীগ্রামের সবুজ হলেন গেরুয়া

TMC BJP
প্রতীকী চিত্র।

২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে জমি রক্ষার আন্দোলনে প্রথম সারির নেতা ছিলেন। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের ইতিহাসের সাক্ষী কংগ্রেস নেতা সবুজ প্রধান যোগ দিলেন বিজেপিতে।মঙ্গলবার কলকাতায় বিজেপির রাজ্য দফতরে গিয়ে যোগদান করেন সবুজ। জমি আন্দোলন পর্বে রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘সহযোদ্ধা’ সবুজের বিজেপিতে যোগ, বিধানসভা ভোটের আগে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও সবুজের দাবি, ‘‘বর্তমান পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের যা হাল তাতে সাধারণ মানুষের কোনও সেবা করতে গেলে বিজেপিতে যোগ দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না।’’

বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভারতি মুকুল রায় বলেন, ‘‘শুধু নন্দীগ্রামের জমির আন্দোলনের নেতা হিসেবে নয়, একজন কংগ্রেস নেতা হিসাবে সবুজ প্রধান আমাদের দলে এসেছেন। উনি এইআইসিসির সদস্যও ছিলেন। প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালের ৫ জানুয়ারি নন্দীগ্রামের ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি তৈরি হয়। যার প্রধান দুই শরিক ছিল কংগ্রেস ও তৃণমূল। যদিও ২০০৮ সালে তৃণমূল জেলা পরিষদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির কর্তৃত্ব কংগ্রেসের হাত থেকে পুরোপুরি চলে যায় তাদের হাতে। তারপর এক প্রকার ‘গৃহবন্দি’ হয়ে পড়েছিলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া সবুজ। তাঁকে বেশ কিছুদিন ধরেই গেরুয়া শিবিরে টানার চেষ্টা চলছিল বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের হাত ধরে সেই যোগাযোগ আরও বেড়ে গিয়েছিল। এ দিন রাজ্যে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং অরবিন্দ মেননের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নেন সবুজ।

যদিও কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া সবুজকে পাত্তা দিতে রাজি নয় শাসক দল। নন্দীগ্রাম-১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেঘনাদ পাল বলেন, ‘‘এলাকায় জনসংযোগ একেবারে নেই। তাই উনি কোন দলে যোগ দিলেন তা নিয়ে আমাদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যখা নেই।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন