যুব তৃণমূলের প্রয়াত জেলা সভাপতির স্মরণসভায় বিজেপি বিধায়ককে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল তৃণমূল। 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খড়্গপুর শহরের মালঞ্চ জলযোগের কাছে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এক সভার আয়োজন করে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওই এলাকাতেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হয়েছিলেন প্রয়াত সিপিআই সাংসদ নারায়ণ চৌবের বড় ছেলে গৌতম। সেই সময় যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতির দায়িত্বে থাকা গৌতম চৌবে হত্যার ঘটনায় ছুটে আসেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে গ্রেফতার হয় অভিযুক্ত বাসব রামবাবু। প্রতি বছর গৌতমের স্মরণে সভার আয়োজন করেন তৃণমূলের জেলা নেতা দেবাশিস চৌধুরী।  

এ দিন স্মরণসভায় মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শপথ নেন তৃণমূল নেতারা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও সরব হন তাঁরা। দলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, “এখানকার বিধায়ক হুমকি দিচ্ছেন, ভেঙে দেব, হাসপাতালে পাঠিয়ে দেব। আমি বলছি, তিনি যে দিন এমন কাজ করে দেখাবেন তার পরদিনই আমরা ওঁকে উচিত শিক্ষা দেব।” দিলীপবাবুকে ফোন করা হলে তাঁর আপ্ত সহায়ক জানান, তিনি রাজ্যের বাইরে আছেন। তবে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তুষার মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘অনুব্রত মণ্ডলের সংস্কৃতিতে তৃণমূল পুষ্ট। তাই সন্ত্রাসের মাত্রা বাড়লে দিলীপদা বরদাস্ত করবেন না বলে জানিয়েছেন।’’