• অনির্বাণ রায়
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

জমি মেলেনি ৫ বছরেও

মহাসড়কের প্রকল্পে অন্যত্র বাদ ৩ কিমি

road
প্রতীকী ছবি।

শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ির জাতীয় সড়কের প্রায় ৩ কিলোমিটার অংশ চার লেনের মহাসড়কের প্রকল্প থেকে বাদ গেল। জমি না পাওয়াতেই ফুলবাড়ির এই অংশ বাকি অংশের মতো চার লেনের হবে না বলে নির্দেশিকা প্রকাশ করেছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এখন এই লাইনেই হাঁটতে চলেছে বলে খবর। যেখানে জমি পাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন জটিলতা থাকবে, সেই অংশ প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পূর্ব-পশ্চিম মহাসড়কের মধ্যে থেকে কোনও অংশকে বাদ দিয়ে দেওয়ার ঘটনা এই প্রথম বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

ধূপগুড়ির পর থেকে এই মহাসড়কেরই ১২ কিলোমিটার অংশের কোনও জমিই কর্তৃপক্ষের হাতে আসেনি। জমিদাতারা ক্ষতিপূরণ নিয়েও জমি দেননি বলে অভিযোগ।  তাঁদের বক্তব্য, জমি না পেলে ওইটুকু অংশের কাজ বাতিল করেই প্রকল্পটি গুটিয়ে ফেলতে হবে। সেজন্য বাধ্য হয়েই সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জমি না ছাড়া ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ্যে আনেন কর্তৃপক্ষ। 

অন্যদিকে,  শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ির জাতীয় সড়কের প্রায় ৩ কিলোমিটার অংশ বাদ যাওয়ায় শিলিগুড়ির ঘোষপুকুর থেকে মহাসড়ক বেরিয়ে জলপাইগুড়ি পৌঁছবে ঠিকই। কিন্তু মাঝে তিন কিলোমিটার ভাঙাচোরা দুই লেনের অপ্রশস্ত সড়কই থাকবে। গত মাসে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছেন বলে দাবি। 

২০১০ সালে যখন থেকে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয় তখন থেকেই শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি সড়কে নানা জট তৈরি হয়। ফুলবাড়ি থেকে জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া মোহিতনগর পর্যন্ত জমি দেওয়া নিয়ে নানা আপত্তি ওঠে। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ থেকে হাইকোর্টের তদারকিতে বাকি অংশের সমস্যা নিষ্পত্তি হলেও ফুলবাড়িতে সমস্যা থেকেই গিয়েছে। সেই কারণে ফুলবাড়ি মোড় থেকে ফুলবাড়ি হাইস্কুল পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা প্রকল্প থেকেই বাদ দিয়েছেন সড়ক কর্তৃপক্ষ। প্রকল্প অধিকর্তা সঞ্জীব মিশ্র বলেন, “জমির জন্য কতদিন আর অপেক্ষা করা যাবে? পাঁচ বছর আগে টেন্ডার হয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ফুলবাড়ি এলাকায় জমি না পাওয়ায় কাজই শুরু হয়নি। পুরনো টেন্ডারের দরে আর কাজ করা সম্ভব নয়। তাই ওই অংশকে প্রকল্প থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ওখানে সড়ক সম্প্রসারণের কাজ হবে না।”

কর্তৃপক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনকেও সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, “এমন সিদ্ধান্ত না নিতে আমরা অনেক অনুরোধ করেছিলাম। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ শুনলেন না। এর ফলে ওই এলাকায় প্রতিদিন তীব্র যানজট হবে, মানুষকে ভুগতেও হবে।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন