খাকি উর্দির পুলিশ রয়েছে। রয়েছে বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীও। তার পরেও কোচবিহার বিমানবন্দরের নিরাপত্তার খামতি এখনও দূর হয়নি। সেই নিরাপত্তার অভাবেই বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে রয়েছে কোচবিহার বিমানবন্দরে। গত ২৭ জুলাই সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে নিয়ে একটি ছোট বিমান সেসনা নিয়ে নামেন কোচবিহারে। সেই থেকে বিমানটি রয়েছে সেখানেই। এই অবস্থায় স্বাধীনতা দিবসের আগেই বিমান চলাচলের জন্য পুলিশের কাছে উপযুক্ত নিরাপত্তার আর্জি জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। আশ্বাস পেলেও কাজ এখনও হয়নি। এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার কোচবিহার বিমানবন্দরের ডিরেক্টর বিপ্লব মণ্ডল বলেন, “উপযুক্ত নিরাপত্তা পেলেই বিমান ওঠানামায় অসুবিধে হবে না।” জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, “এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মতোই ব্যবস্থা হচ্ছে।”
সব দিক থেকেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ কোচবিহার বিমানবন্দর। কোচবিহার সীমান্ত লাগোয়া এলাকা। এখান বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান এবং চিনের দূরত্ব খুব বেশি নয়। এই বিমানবন্দরে নিয়মিত বিমান চলাচল না করলেও  প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো দীর্ঘ সময় ধরেই প্রস্তুত রয়েছে। 
পুলিশ সূত্রের খবর, স্বাধীনতা দিবসের আগে গুরুত্বপূর্ণ সব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় পুলিশ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে পুলিশের সংখ্যা ১৮ জন। আগে ওই সংখ্যা ছিল ৪৬ জন। এ ছাড়া এখনও ‘অ্যান্টি হাইজ্যাকিং টিম’ এখনও পায়নি বিমানবন্দর। কোচবিহার বিমানবন্দরের এক কর্তা বলেন, “অ্যান্টি হাইজ্যাকিং টিম পেলেই আমরা বিমান ওঠানামা করাতে পারব। দমকলের কর্মীর ব্যবস্থা আমরা করে নিতে পারব। এখন সেই অপেক্ষায় রয়েছি। স্বাধীনতা দিবসের আগে ব্যবস্থা হবে বলে আশা করছি।”