দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে জাতীয় সড়কে দু’মাস আগের ঘটনা। বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে যুক্ত একটি ট্রাক দাঁড় করিয়ে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের ঘুষ আদায়ের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। বাংলাদেশমুখী পণ্যবাহী ট্রাক ও লরিকে জাতীয় সড়কের উপর দাঁড় করিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ বেশ কিছুদিন ধরে উঠেছিল। ওই ঘুষ নেওয়ার মুহূর্তের ছবি মোবাইলে ভিডিও বন্দি করেন অন্য এক লরিচালক। এরপর তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে হইচই হয়। ঘটনার দু’মাস পর দক্ষিণ দিনাজপুরের ওই পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে বলে জানা গিয়েছে। তার উপর মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক করে দেওয়ার পর থেকে বালুরঘাটে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বাড়াবাড়িতে লাগাম টেনেছেন জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ। 

ডেপুটি পুলিশ সুপার ধীমান মিত্র জানান, যতগুলি অভিযোগ সামনে এসেছে, সেগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে। হিলি থানায় কর্মরত অভিযুক্ত ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে (রসিদ মণ্ডল) সাসপেন্ড করা হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ারের আস্ফালনের অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন বালুরঘাটের বেশ কিছু নাগরিক। এরপর জুনে জেলার পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পান প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের এক্তিয়ার নিয়েও তাঁদের সতর্ক করা হয়। জেলা পুলিশের এক অফিসার জানান, রাজনৈতিক কাজে শাসক দলের একাংশ নেতা সিভিকদের ব্যবহার করেন। সেজন্য তাঁরা সাহস পেয়ে যান। তপন থানার ভারিলা এলাকায় সরকারি প্রকল্পে এলাকায় পানীয় জল সরবরাহকারী এক ব্যক্তির ছেলে সিভিক ভলান্টিয়ার। গতমাসে জল সরবরাহ ব্যাহত হলে বাসিন্দারা নালিশ করতে গেলে উল্টে তাঁদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ওই সিভিকের বিরুদ্ধে।