দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে মূক ও বধির তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার রাতে বালুরঘাট থানার গোপালবাটী পঞ্চায়েত এলাকার ঘটনায় অভিযুক্ত বছর বত্রিশের যুবক বিবাহিত। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক। সোমবার অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তের বাবাকে আটক করেছে। নির্যাতিতাকে বালুরঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী বলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না বলে বাসিন্দাদের একাংশের সঙ্গে বিজেপিও অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা তরুণীর মা-বাবা অনেক দিন আগেই মারা গিয়েছেন। বাড়িতে দু’টি ঘরের একটিতে তাঁর ভাই এবং অন্যটিতে তিনি থাকেন। এক বোনের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। রবিবার রাত ১১টা নাগাদ তাঁরা ঘুমিয়ে পড়ার পরে ওই তরুণীর ভাইয়ের ঘরের দরজায় অভিযুক্ত যুবক শিকল তুলে দেয়। এর পরে তরুণীর ঘরের দরজার খিল ভেঙে ঢোকে। তরুণীর শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সুযোগে দীর্ঘ ক্ষণ তার উপরে অত্যাচার চালানো হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত পালালে তরুণী হামাগুড়ি দিয়ে রাস্তায় নেমে গোঙাতে শুরু করেন। আওয়াজ পেয়ে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তাঁরা নির্যাতিতার ভাইকেও ঘর থেকে বার করেন। অত্যাচারের ঘটনা জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা।

বাসিন্দাদের একাংশ জানান, অভিযুক্ত এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। রাতেই বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নির্যাতিতার বোন। তিনি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। ডিএসপি ধীমান মিত্র জানান, অভিযুক্তকে ধরতে তল্লাশি চলছে। এলাকার তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি প্রভাস মণ্ডল বলেন, ‘‘ঘটনার সঙ্গে রাজনীতিরও সম্পর্ক নেই। দোষ করে থাকলে তার আইনি শাস্তি হবে।’’