পুজোর মরসুমে প্রথম তুষারপাত পেল উত্তর সিকিম। সোমবার ভোর থেকেই গুরুদোংমার লেক ও তার কাছাকাছি কিছু এলাকায় তুষারপাত শুরু হয়। তুষারের জেরে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ দিন গুরুদোংমার যেতে পারেননি পর্যটকেরা। রাস্তায় কোনও পর্যটকের আটকে পড়ার খবর নেই। 

এ দিন ভোরে পর্যটকদের নিয়ে যে সব গাড়ি রওনা হয়েছিল তুষারপাতে রাস্তা বন্ধ থাকার খবর পেয়ে তারা ফিরে আসে। সিকিম ও রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন সংস্থাগুলো জানিয়েছে, মাঝপথে থাংগুভ্যালি থেকে ফিরে আসতে হয় গাড়িগুলিকে।   

উত্তর সিকিমে তুষারপাতের প্রভাব উত্তরবঙ্গের সমতলের আবহাওয়াতে পড়বে বলে ভেবেছিলেন অনেকে। যদিও সেই সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের প্রধান সুবীর সরকার জানান, হিমালয় অঞ্চলের অনেক উচ্চতায় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রভাব ফেলেছে। সেটা ওই অঞ্চলের উপর দিয়ে তিব্বতের দিকে গিয়েছে। এই কারণেই উত্তর সিকিমের ওই এলাকায় তুষারপাত হয়েছে। সমতলে তার প্রভাবের সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি। 

সিকিমের ট্র্যাভেল এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা সতীশ বরদেওয়া জানান, এ দিন থাংগু ও গুরুদোংমা লেকের মাঝামাঝি এলাকা থেকে বরফে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। সকালে পর্যটকদের নিয়ে ১৫০টি গাড়ি গুরুদোংমার দিকে গিয়েছিল। সেগুলি পৌঁছতে পারেনি। এ দিনের তুষারপাতে কোনও পর্যটক রাস্তায় আটকে পড়েননি বলে জানান হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল। এ দিন যাঁরা যেতে পারেননি তাঁদের অনেকেই আজ মঙ্গলবার আবহাওয়া কেমন থাকবে তা নিয়ে খোঁজ নেন বলে জানান তিনি।