পাহাড়ের বিভিন্ন থানা মিলিয়ে মোট ৭৬টি মামলায় আজ বৃহস্পতিবার বিমল গুরুংয়ের আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানি হবে হাইকোর্টের জলপাইগুড়ির সার্কিট বেঞ্চে। লোকসভা ভোট প্রক্রিয়ায় সামিল হতে চেয়ে গুরুং আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। গত মাসে জানানো সেই আবেদন সুপ্রিম কোর্ট শুনে হাইকোর্টে আগাম জামিন চাইতে পরামর্শ দেয় গুরুংদের। দার্জিলিঙে লোকসভা ভোটের আগে সে মামলা জলপাইগুড়ি সার্কিটে উঠেওছিল। কিন্তু গুরুংদের বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু মামলা থাকায় দু’পক্ষের আইনজীবীরাই একসঙ্গে সব আবেদনের শুনানির আবেদন করেছিলেন। শুনানি পিছিয়ে দার্জিলিং লোকসভা ভোটের দিন পেরিয়ে ২৫ এপ্রিল স্থির হয়। 

আজ জলপাইগুড়ি সার্কিটে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চে পরপর ৭৬টি আবেদনের শুনানি হবে। শুনানিতে উপস্থিত থাকতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত, রাজ্যের পাবলিক প্রসিকিউটার শাশ্বত গোপাল মুখোপাধ্যায় জলপাইগুড়িতে চলে এসেছেন। গুরুংয়ের আইনজীবীরাও জলপাইগুড়ি পৌঁছেছেন। একসঙ্গে ৭৬টি আবেদন দাখিল হওয়ায় আগে থেকেই হাইকোর্ট দু’দিন ধার্য করে রাখে। আজ এবং আগামিকাল মামলাগুলির শুনানি হবে। সব মামলার কেস ডায়েরিও জলপাইগুড়ি পৌঁছেছে। দেশদ্রোহ থেকে শুরু করে খুন, খুনের চেষ্টা, অস্ত্র আইন-সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রয়েছে।

শুক্রবারই জলপাইগুড়িতে এ পর্যায়ের সার্কিট শেষ হচ্ছে। সূত্রের খবর, আগামী ৬ এপ্রিল থেকে ফের সার্কিট শুরু হবে। লোকসভা ভোটের আগে আগাম জামিন নিয়ে গুরুংদের পাহাড়ে ফেরা সম্ভব হয়নি। আগামী ১৯ মে দার্জিলিং বিধানসভায় উপনির্বাচন রয়েছে। গুরুং সমর্থক এবং বিরোধীদের অনেকেরই নজর আদালতের রায়ের দিকে।