• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

জমি জটে অধরাই সমাধান 

Land
বাইপাস: এই জমিতেই বাইপাস হওয়ার কথা। নিজস্ব চিত্র
আলোচনা শুরু হয়েছে ঠিকই। কিন্তু ইসলামপুর বাইপাস নিয়ে সমাধান সূত্র এখনও অধরা। 
বাইপাসের কাজ এমনিতেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এ বার আর দেরি নয়, খুব শীঘ্রই সমস্যা মিটিয়ে তার কাজ শুরু করতে হবে বলে বুধবার ইসলামপুরে বৈঠক শেষে বললেন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। কিন্তু কী ভাবে বাইপাসের জমির জট কাটবে, তার কোনও সূত্র এ দিনের বৈঠকে মেলেনি বলেই প্রশাসনিক সূত্রে খবর। 
জমিদাতা কৃষকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বাইপাস করার জন্য যে জমি তাঁদের কাছ থেকে সরকার অধিগ্রহণ করেছে, তার বর্তমান মূল্য দিতে হবে। জমিদাতাদের  অন্যতম মহম্মদ জালালের কথায়, ‘‘আমরা চাই জমির এখন যা দাম, তাই দেওয়া হোক।’’ আর এক নেতা শঙ্কর ভাওয়ালেরও একই বক্তব্য। প্রশাসনের এখন চ্যালেঞ্জ, এই জট কাটানো। সেই উদ্দেশ্যেই ইসলামপুরের বিবেকানন্দ সভাগৃহে বুধবার বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিতি ছিলেন রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী গোলাম রব্বানি, ইসলামপুরের বিধায়ক কানাইযালাল অগ্রবাল, জেলা শাসক আয়েশা রানি, উত্তরদিনাজপুরের পুলিশ সুপার শ্যাম সিংহ, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সহ বেশ কিছু জন প্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও। 
বৈঠকের শুরুতেই কৃষকদের কয়েকজন প্রতিনিধিদের ডেকে পাঠানো হয়। তাতেই খেপে যান বাইরে অপেক্ষারত প্রচুর চাষি। পরে অবশ্য কয়েক ধাপে প্রত্যেককেই ডেকে পাঠিয়েই এক এক করে সবার বক্তব্য শোনা হয়। 
সন্ধ্যা পর্যন্ত সেই বৈঠক চলে। ফের বৈঠক করা হবে আগামী ১০ আগস্ট শিলিগুলিতে। গৌতমবাবু বলেন, ‘‘কৃষকদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তাঁদের দুঃখ কষ্ট যতটা সম্ভব মিটিয়ে দ্রুততার সঙ্গে কাজ শুরু হবে।’’ তাদের পাশে নিয়েই কাজ শুরু করার কথাও বলেন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘এটি জাতীয় প্রকল্প, সমস্ত এলাকাতে সমস্যা মিটে গিয়েছে। যে সংস্থা কাজের বরাত পেয়েছে তারা আর ধৈর্য রাখতে পারছেন না। এই মাসে বার বার মিটিং হবে। এই মাসের মধ্যেই সমস্ত সম্পূর্ণ করব।’’ গত ১ আগস্ট সোনাপুরের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, জমি দিতে টাকা নিয়ে ব্ল্যাকমেল করলে সরকার তা মেনে নেবে না। এরপরই গৌতমবাবুকে জমি জটিলতা সমাধানের নির্দেশ দেন।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন