নাগমার সভায় বাধার নালিশ
এ দিন হরিশ্চন্দ্রপুরের পর রতুয়া থানা লাগোয়া মাঠে নাগমার সভা ছিল।
Nagma

শনিবার রতুয়ার সভায় কংগ্রেস নেত্রী নাগমা। নিজস্ব চিত্র

কংগ্রেসের জনসভায় যেতে বাধা এবং সভা ভন্ডুলের চেষ্টার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল মালদহের রতুয়ায়। শনিবার রতুয়ায় কংগ্রেস নেত্রী নাগমার জনসভা। অভিযোগ, ওই সভায় না যাওয়ার জন্য গত দু’দিন ধরে এলাকার বাসিন্দাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ দিন কংগ্রেসের সভাস্থলের পাশে তৃণমূলের শিক্ষা সেলেরও সভা ডাকা হয়। কংগ্রেসের অভিযোগ, গন্ডগোল পাকানোর জন্যেই পরিকল্পিত ভাবে পাল্টা সভা ডেকে তাদের সভা ভন্ডুলের চেষ্টা করে তৃণমূল।

স্থানীয় তৃণমূল নেতা মহম্মদ ইয়াসিনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে হুমকি ও সভা ভন্ডুলের চেষ্টার অভিযোগ করেন ব্লক কংগ্রেস নেতৃত্ব। পাশাপাশি, উত্তর মালদহের কংগ্রেস প্রার্থী ইশা খান চৌধুরী নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ পর্যবেক্ষকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। নির্বাচনের দিন ওই ব্লকের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে নির্বাচনের দাবিও তুলেছেন তিনি। ইশা বলেন, ‘‘গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রতুয়ায় ভোট লুঠ করে অবাধে সন্ত্রাস করেছিল তৃণমূল। একাধিক বুথে বন্দুক কাঁধে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ঘুরতে দেখা গিয়েছিল। এবারও শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস শুরু করেছে।’’

এ দিন হরিশ্চন্দ্রপুরের পর রতুয়া থানা লাগোয়া মাঠে নাগমার সভা ছিল। তার ১০ মিটার দূরেই তৃণমূলের শিক্ষা সেলের সভার আয়োজন করা হয়। কিন্তু কংগ্রেসের জনসভা শুরু হওয়ার আগে তাদের মাইক খোলার চেষ্টা করা হয়। দর্শকদের প্রকাশ্যেই মাঠ থেকে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি চলতে থাকে বলে অভিযোগ। একসময় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের উপক্রম হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নাজেহাল হতে হয় পুলিশকে। যদিও যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই তৃণমূল নেতা মহম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নে সামিল হয়ে কেউ সভায় যাননি। সভায় লোকজন না হওয়ার লজ্জা ঢাকতে ওরা এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুলছে।’’

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯