• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ল পাহাড়ে

Sandakphu

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত হওয়ার জেরে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ল দার্জিলিঙে। শুক্রবার সান্দাকফুতে ফের কিছুক্ষণের জন্য হালকা তুষারপাত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই রুটের ল্যান্ডরোভার চালকরা। দার্জিলিঙেও বৃষ্টি হয়েছে। দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছেই ঘোরাফেরা করছে। সান্দাকফুতে রাতের তাপমাত্রা শূন্যের নীচে নেমে যাচ্ছে। শিলিগুড়িতেও বিকেল গড়াতেই ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি হলেও সন্ধ্যা নামতেই তা ১৪-১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে চলে যাচ্ছে।
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের শিক্ষক রঞ্জন রায় বলেন, ‘‘দিনের বেলায় দুপুর অবধি ভালই তাপমাত্রা থাকছে। কিন্তু, সন্ধ্যা নামলেই হু হু করে তাপমাত্রা নামছে। রাত বাড়লে ঠাণ্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে।’’ তিনি জানান, স্থানীয় নিম্নচাপ তৈরি হলে শিলিগুড়িতে বৃষ্টি হতে পারে।
সিকিমের লাচেন, নাথুলার মতো এলাকা তুষারাবৃত হয়ে গিয়েছে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মাইনাস ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাচ্ছে। বরফে অনেকটা এলাকার রাস্তা ঢেকেছে। ফলে, ওই রুটে যাতায়াত বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া মন্ত্রকের সিকিম শাখার অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা জানান, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবের ফলে একটা অক্ষরেখা তৈরি হচ্ছে। সে জন্যই পাহাড়ি এলাকায় প্রভাব পড়ছে বলে তাঁর অভিমত। তিনি বলেন, ‘‘উপগ্রহ চিত্র দেখে যা মনে হচ্ছে, আগামী সোমবারের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নিম্নচাপ কতটা শক্তি সঞ্চয় করছে তা রবিবার রাতের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে।’’
পাহাড়ে জাঁকিয়ে শীত পড়লেও শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়িতে দিনের বেলায় বেশ গরম অনুভূত হচ্ছে। কিন্তু, হালকা ঠান্ডা উত্তুরে হাওয়া সকাল থেকেই বইছে। ঠান্ডা-গরমের দোলাচলে পড়ে শহরের কিছু এলাকায় সর্দি-কাশি-জ্বরের প্রকোপ বাড়ছে। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল ও উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক সপ্তাহে শুধু বহির্বিভাগেই জ্বরের চিকিৎসা করাতে গিয়েছেন অন্তত ৪০০ জন।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন