• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ঠাঁই নেই বিপ্লবের, বিতর্ক

Biplab Mitra
বিপ্লব মিত্র। ফাইল চিত্র

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি ঘোষিত হল। কিন্তু তাতে বিতর্ক পিছন ছাড়ল না। জেলা কমিটিতে বিপ্লব মিত্র বা তাঁর ভাই প্রশান্ত মিত্র ঠাঁই পাননি। তা নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে। বিপ্লব এবং তাঁর পরিবারকে কি জেলার রাজনীতির ‘চালিকাশক্তি’ থেকে ব্রাত্য করে দেওয়া হল? এই প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা চলছে।

এ দিন বালুরঘাটে দলের কার্যালয়ে জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস ও যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি অম্বরীশ সরকার মূল সংগঠন ও যুব সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে প্রত্যেক ব্লক ও শহরগুলির সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামও ঘোষণা করা হয়। ১০ জন সহ-সভাপতি, পাঁচ জন সাধারণ সম্পাদক, ১০ জন সম্পাদক ও ৩৯ জন সদস্য নিয়ে গঠিত নতুন জেলা কমিটিতে অবশ্য কয়েক জন পুরনো নেতা জায়গা পেয়েছেন। অনেক ‘নিষ্ক্রিয়’ নেতাকেও জেলা কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে। হিলি, বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর, কুমারগঞ্জ ব্লকের সভাপতি হিসেবে দলের পুরনো নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যুব সংগঠনেও বেশ কিছু নতুন মুখ তুলে আনা হয়েছে। যুব সংগঠনের সহ-সভাপতি হিসেবে কুমারগঞ্জের অভিষেক গুহকে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে দলের অন্দরেও প্রশ্ন উঠেছে। দুর্নীতির দায়ে ‘সাসপেন্ড’ ওই নেতাকে কী ভাবে সংগঠনের দায়িত্ব আনা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও জেলা সভাপতি গৌতমের বক্তব্য, "অভিষেককে শো-কজ় করা হয়েছিল। তার জবাব দেওয়ার পরে রাজ্য কমিটি ওঁকে সুযোগ দিয়েছে দলের কাজ করতে। তাই কমিটিতে রাখা হয়েছে।"

এ দিকে, নতুন কমিটিতে বিপ্লব, এমনকি তাঁর অনুগামীদের কমিটিতে রাখা হয়নি বলে অভিযোগ। এতে ক্ষুব্ধ বিপ্লব অনুগামীরা। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, "যে ভাবে কমিটি তৈরি করা হয়েছে তাতে সংগঠন কতটা মজবুত হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ দায়িত্বপ্রাপ্তদের অধিকাংশেরই সাংগঠনিক দক্ষতা নেই বললেই চলে। বিপ্লব মিত্র ছাড়া জেলায় দলকে টিকিয়ে রাখা সমস্যার।" তবে জেলা সভাপতি জানিয়েছেন, সব স্তরের দক্ষ নেতাদের নিয়েই কমিটি হয়েছে। যুব সভাপতি অম্বরীশ বলেন, "নতুন কমিটি তারুণ্যে ভরপুর। সবার কাজের সুযোগ রয়েছে।" কিন্তু বিপ্লবের ভবিষ্যৎ কী সেই প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন সকলেই।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন