• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

এখনও কাঠামো পুকুরে

Idol structure
দশের পুকুরের জলে ভাসছে প্রতিমার কাঠামো। নিজস্ব চিত্র

Advertisement

পরিবেশ সচেতনতার কথা বলছে বিভিন্ন মহল। সরকারি ও বেসরকারি ভাবে স্বচ্ছতার প্রচারও চলছে। কিন্তু দুর্গাপুজো পার হয়ে কালীপুজোর মুখেও বিভিন্ন জলাশয়ে দুর্গার কাঠামো ভাসতে দেখে পরিবেশ-ভাবনায় মানুষ কতটা সচেতন হয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 

সোনামুখীর দশের পুকুরে এখনও ভাসছে দুর্গার কাঠামো। পুকুরে স্নান করতে এসে বিদ্যুৎ গোলদার বলেন, “সোনামুখীর অধিকাংশ দুর্গা, কালী, কার্তিক, সরস্বতী—সব প্রতিমাই এই দশের পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়। প্রতি বছর এই পুকুরে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হলেও কয়েকদিন পরেই সেগুলি পুকুর পাড়ে তুলে ফেলা হয়। কিন্তু এ বার এখনও খড়ের কাঠামোর পাশেই স্নান করতে হচ্ছে এলাকার মানুষজনকে। বিসর্জনের পরেই কাঠামো তুলে ফেলার ব্যবস্থা করলে আমাদের মতো স্নান করতে আসা মানুষজনের সুবিধা হয়।’’ শুধু কাঠামোর খড়ই নয়, পুজোর নানা সামগ্রী পচেও নষ্ট হচ্ছে জল। বাসিন্দাদের দাবি, ওই পুকুরে সোনামুখীর বড় আখড়া, ছোট আখড়া, কাঁটাবনিতলা, রতনগঞ্জ, হেঁসপাড়া, স্বর্ণময়ীতলা থেকে লোকজন স্নান করতে আসেন নিয়মিত। 

স্থানীয় বাসিন্দা তারক ধীবর, মিঠুন বাউরি, শ্রীকান্ত ধীবর, দীনু রুইদাসেরা বলেন, ‘‘এই পুকুরে আমরা মাছ চাষ করি। কিন্তু এত দিন ধরে কাঠামো পড়ে থাকায় জল দূষিত হয়ে পড়ায় চিন্তায় রয়েছি।’’ 

কেন তোলা হচ্ছে না কাঠামো? সোনামুখীর পুরপ্রধান সুরজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, “দশের পুকুরকে সোনামুখীর মানুষ ‘বিসর্জনের পুকুর’ বলেন। দুর্গাপুজোর বিসর্জন মিটলেই ওই পুকুর থেকে প্রতিমার কাঠামো সরিয়ে ফেলা হয়। এ বার কেন কাঠামো তোলা হয়নি, আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’’ তিনি জানান, শহরের অন্য পুকুরে কাঠামো থাকলে তাও সরিয়ে নেওয়া হবে।

প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ বাজার থেকে সরিয়ে ফেলতে প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বিষ্ণুপুর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা কাগজের ব্যাগ তৈরি শুরু করেছেন। অথ,চ স্নানের পুকুরে প্রতিমার কাঠামো-সহ থার্মোকল, প্লাস্টিক, খড়-বিচুলি সবই ভাসছে। দূষণ থেকে দশেরবাঁধকে বাঁচাতে কবে নামে প্রশাসন, অপেক্ষায় বাসিন্দারা।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন