• নিজস্ব সংবাদদাতা 
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

চাকরির আবেদন জমা নিহতের বোনের

1
শকুন্তলা ওরাং—ফাইল চিত্র

লাদাখ সীমান্তে চিনা সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত রাজেশ ওরাংকে সমাধিস্থ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর বোনকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল বীরভূম জেলা প্রশাসন। সেই মতো শনিবার দুপুরে মহকুমাশাসকের (সিউড়ি সদর) কাছে চাকরির আবেদনপত্র-সহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দেন রাজেশের বোন শকুন্তলা ওরাং। 

গত সোমবার রাতে সীমান্তে প্রাণ হারান ১৬ বিহার রেজিমেন্টের জওয়ান, মহম্মদবাজার থানার বেলগড়িয়া থানার বাসিন্দা রাজেশ ওরাং এবং আলিপুরদুয়ারের বিপুল দাস। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ওই সংঘর্ষে এই রাজ্যের যে দু’জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা এবং পরিবারের এক জনকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। সেই মতো শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাজেশের পরিবারের হাতে পাঁচ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল থেকে শুরু করে প্রশাসনের আধিকারিকেরা। 
 

রাজেশের পরিবারের সদস্যেরা জানিয়েছেন, এ দিন সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দু’জন তাঁদের বাড়ি যান। তাঁরা পরিবারের সকলের সঙ্গে কথা বলেন। তার পরেই রাজেশের বোন শকুন্তলা তাঁদের সঙ্গে জেলাশাসকের দফতরে আসেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজেশের পরিবারে বাবা-মা ছাড়াও এক দিদি এবং এক বোন রয়েছেন। দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তাঁরাই সকলে মিলিত ভাবে চাকরির জন্য ছোট বোন শকুন্তলার নাম প্রস্তাব করেন। সেই মতো এ দিন দুপুরে শকুন্তলা মহকুমাশাসক রাজীব মণ্ডলের কাছে চাকরির আবেদনপত্র জমা দেন। মহকুমাশাসক বলেন, ‘‘মেয়েটির কাছে থেকে আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় নথি গ্রহণ করা হয়েছে।’’ 

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, শকুন্তলার দেওয়া নথি রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। শকুন্তলা বলেন, ‘‘দাদা সমাধিস্থ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাকরির প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। আমি খুব খুশি প্রশাসনের ভূমিকায়।’’ 
 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন