দুই পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে মল্লারপুর ও লাভপুর জোড়া বিস্ফোরণ কাণ্ডে কড়া অবস্থান নিলেন জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিংহ। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর,  কর্তব্যে গাফিলতি ও নজরদারিতে খামতি থাকার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে মল্লারপুর থানার পূর্বতন ওসি (সাব-ইন্সপেক্টর) টুবাই ভৌমিক  ও লাভপুরের দাঁড়কা পুলিশ ফাঁড়ির ইন-চার্জ  পার্থ সাহাকে।  

জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ওই দুই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে।  কর্তব্যে বিচ্যুতি ধরা পড়ায় তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে মল্লারপুর থানা এলাকার চার সিভিককর্মীর ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শো-কজ করা হয়েছে লাভপুর থানার ওসি চয়ন ঘোষকে।

কী ধরনের গাফিলতির জন্য সাসপেন্ড  করা  হল এই নিয়ে চর্চা চলছে জেলা জুড়ে। 

জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সময়ে  ঘটনার খবর না দেওয়া, তথ্য গোপন করে ঘটনাকে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা এবং এলাকায় এত বিস্ফোরক মজুতের খবর না থাকার অভিযোগেই সাসপেন্ড করা হয়েছে টুবাই ভৌমিককে। একই ভাবে লাভপুর বিস্ফোরণে নজরদারির ক্ষেত্রে চূড়ান্ত গাফিলতির দায়ে ‘শাস্তির’ মুখে পড়তে হয়েছে ফাঁড়ির ইন-চার্জকে।  আপাতত শো-কজ করা হলেও লাভপুর থানার ওসির বিরুদ্ধেও শাস্তির খাড়া নেমে আসতে পারে বলে  মনে করছেন পুলিশকর্মীদের একাংশ।

লাভপুর কাণ্ডের পরে ওসির অপসারণ দাবি করে তৃণমূল। জোড়া বিস্ফোরণে দুই পুলিশ আধিকারিকের সাসপেন্ড নিয়ে বিরোধী বিজেপি শিবিরের কয়েক জন নেতার বক্তব্য, ‘‘পুলিশ এখন পুলিশিং ছেড়ে অন্য কাজেই বেশি ব্যস্ত থাকে, তাই চারপাশে এমন কাণ্ড।’’