গৃহনির্মাণ প্রকল্পের সুপারভাইজারের কাছে বাড়ি তৈরির অনুদান এবং ১০০ দিন কাজের কাটমানি ফেরতের দাবি জানিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, অভিযুক্তেরা টাকা ফেরতের পরিবর্তে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। পুলিশ গিয়েছিল তদন্ত করতে। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা তা-ই পুলিশকেই কাটমানি ফেরত দেওয়ার দাবি তুললেন। হল বিক্ষোভও। শনিবার ঘটনাটি ঘটে কীর্ণাহার পুলিশ ফাঁড়িতে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিনতিনেক আগে কীর্ণাহার ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুপারভাইজার বুদুন সরেন এবং মঙ্গল হেমব্রমের কাছে গোমাইডাঙা আদিবাসীপাড়ার বাসিন্দারা কাটমানি ফেরত চান। অভিযোগ, ওই দু’জন কাটমানি ফেরত না দিয়ে গ্রামবাসীদের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে শুক্রবার পুলিশ ওই গ্রামে গেলে গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শনিবারও তাঁরা কীর্ণাহার পুলিশ ফাঁড়িতে কাটমানি ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এক সময় পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বচসাও বেঁধে যায় তাঁদের। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

গোপাল টুডু, পাকু হাঁসদার অভিযোগ, ‘‘১০০ দিন প্রকল্পে কাজ করে টাকা পাইনি। সুপারভাইজাররা সই করিয়ে টাকা তুলে নিয়েছেন। বাড়ি তৈরির জন্যও কাটমানি দিতে হয়েছে। টাকা ফেরত চেয়েছিলাম বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে। তাই পুলিশের কাছে প্রাপ্য টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।’’

বুদুন সরেন কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করলেও, মঙ্গল হেমরম বলেন, ‘‘কয়েক জন চাঁদা বাবদ আমাদের কিছু টাকা দিয়েছিল। আমরা গ্রামে বসে হিসেব করে সেই টাকা ফেরত দিয়ে দেব বলেছি।’’

পুলিশ জানায়, টাকা ফেরতের জন্য গ্রামবাসীদের উপযুক্ত জায়গায় লিখিত অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে।