স্টিভ ওয় সম্পর্কে শেন ওয়ার্নের কথা পড়ে স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। এক জন বোলার তিনটে টেস্টে বাজে বল করলেন, তার পর চতুর্থ টেস্টে তাঁকে বাদ দেওয়ার কথা বলায় ক্যাপ্টেন হয়ে গেলেন খারাপ? সেই টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল। অর্থাৎ, প্রমাণিত হয়ে গেল, স্টিভ যে দল নামিয়েছিলেন তা যোগ্য। তা হলে ওয়ার্ন বলেন কিসের ভিত্তিতে, যে, স্টিভ তাঁকে হিংসে করতেন তাই বাদ দিয়েছেন?

সুবল চক্রবর্তী

কলকাতা-৬৮

 

রাস্তা দখল

উল্টোডাঙার কাছে ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের ধারে কয়েকটা রেস্তরাঁর সামনে প্রতি দিন সন্ধ্যার পর থেকে অধিক রাত পর্যন্ত অসংখ্য ছোট-বড় গাড়ি বাইপাসের অর্ধেক দখল করে দাঁড়িয়ে থাকে।

শশাঙ্ক শেখর মণ্ডল

কৃষ্ণনগর, নদিয়া

 

সুদের হিসেব

গত ১৯-১-২০১৮ তারিখে আমি নিউ টাউন পোস্ট অফিসে ৮ লাখ টাকা বার্ষিক ৮.৩ শতাংশ হারে সিনিয়র সিটিজ়েন জমা প্রকল্পে জমা দিই। নিয়ম অনুযায়ী তিন মাস অন্তর সুদ দেওয়া হয়। সেই মতো আমি ২০১৮-র মে মাসে ওই পোস্ট অফিসে যাই, এ ভাবে পাঁচ বার যাতায়াত করেও পোস্টমাস্টার বিভিন্ন অজুহাতে টাকা না দেওয়ায়, চিফ পোস্ট মাস্টারকে ইমেলের মাধ্যমে অভিযোগ জানাই। তার ফলে ২৯-৫-২০১৮ তারিখে, ১৯-১-২০১৮ থেকে ৩০-৪-২০১৮: মোট ৩ মাস ১৩ দিনের জন্য মাত্র ১৬৫০০ টাকা পাই। জানুয়ারি মাসের ১৩ দিনের টাকা উধাও হয়ে গেল। পোস্টমাস্টার বললেন, ভাঙা মাসের জন্য কোনও সুদ দেওয়ার নিয়ম নেই। প্রতিবাদ করাতে তিনি বললেন, পরে প্রাপ্য মিটিয়ে দেওয়া হবে। ১৩ দিনের ২৩৬৫ টাকা ও তিন মাস বাবদ ১৬৬০০ টাকা হয়। সেখানেও ১০০ টাকা কম। মোট ২৪৬৫ টাকা কম দেওয়া হয়। পুনরায় ২০১৮-র মে-জুলাইয়ে এই তিন মাসের টাকা আনতে গেলে ২-৮-১৮ তারিখে মাত্র ১৬০০০ টাকা দেওয়া হয়। ৬০০ টাকা কম দেওয়া হয়। তা হলে মোট ২৪৬৫+৬০০ মোট ৩০৬৫ টাকা কম পাই। পোস্টমাস্টার বলেন ‘‘আপনি যেখানে পারেন প্রতিবাদ জানান।’’ আমি ইমেলের মাধ্যমে চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেল, পোস্টমাস্টার জেনারেল এবং সিনিয়র সুপার অব পোস্ট অফিসেস, পূর্ব কলকাতা বিভাগে অভিযোগ জানালেও, সবাই নীরব।

মমতা চৌধুরী

কলকাতা-১৫৭

 

গ্রুপ ডি

সম্প্রতি প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচার এবং সিভিক পুলিশদের সম্মানজনক বেতনবৃদ্ধি একটি মানবিকতার পরিচয়। কিন্তু আমরা যাঁরা কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশন এবং এর অধীনস্থ কেইআইআইপি-তে সাপোর্ট স্টাফ অর্থাৎ গ্রুপ ডি পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কাজ করছি, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর কৃপা থেকে বঞ্চিত থেকে গেলাম। গ্রুপ ডি স্থায়ী পদে কর্মরতরা অফিসে আসেন ১১:৩০ মিনিটের পর এবং বিকাল পাঁচটা হওয়া মাত্রই তাঁরা বাড়ি চলে যান। কিন্তু আমরা চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা, যত ক্ষণ সাহেব না বেরিয়ে যান, অফিসে থাকি। বাড়ি ফিরতে রাত ন’টা, কারও রাত ১০টা বাজে। ফলে অন্য কোনও কাজ করে কিছু বাড়তি উপার্জন করা অসম্ভব। ফলত কেএমসি বা কেইআইআইপি যে বেতন আমাদের দেয়, তাতে অতি কষ্টে চালাতে হয়। কোনও সঞ্চয় অসম্ভব। অসুখ করলে ঠিকমতো চিকিৎসাও করাতে পারি না।

শ্রাবণী দেবনাথ

কলকাতা-৩২

 

ট্রেনের সমস্যা

ক্যানিং-বারাসত লোকাল পার্ক সার্কাস স্টেশনে আসে ৩:৪২ মিনিটে। এই ট্রেনটি বারাসত থেকে হাসনাবাদের উদ্দেশে ছাড়ে ৫:০৫ মিনিটে। এই ট্রেনযাত্রার কিছু সমস্যা তুলে ধরছি। ১) পার্ক সার্কাস স্টেশনের উঁচু প্ল্যাটফর্ম দিয়ে এই ট্রেন যায়। ঘোষণা করা হয় সরাসরি বারাসত যাওয়ার গাড়ি ১নং প্ল্যাটফর্মে আসছে। স্টেশনের পশ্চিম দিকে উঁচু দু’টি প্ল্যাটফর্মের নাম্বার এক ও দুই। পূর্ব পাশে পুরনো নিচু প্ল্যাটফর্ম দু’টিরও নাম্বার এক ও দুই। আবার নতুন প্ল্যাটফর্মে নাম্বার লেখা কোনও বোর্ড নেই। ২) ট্রেনটি হাসনাবাদ পর্যন্ত যায়। তবুও বলা হয় বারাসত যাওয়ার গাড়ি। বসিরহাট হাসনাবাদ যাওয়ার নতুন যাত্রীরা এই ঘোষণায় বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। বারাসত হয়ে হাসনাবাদ যাবে— এমন ঘোষণায় অসুবিধা কোথায়? ৩) উঁচু প্ল্যাটফর্ম দু’টিতে কোনও শেড নেই। সিমেন্ট বাঁধানো কয়েকটি বসার বেঞ্চ আছে। অধিকাংশ সময় সেগুলি হকার, ভবঘুরে এবং পোষা ছাগলের দখলে থাকে। ৪) পাঁচ/দশ মিনিট লেট থাকলেও ট্রেনটি বারাসত পৌঁছয় সাধারণত ৪:৪০ মিনিট-৪:৫০ মিনিটে। প্রচণ্ড গরম ও ভিড়ে ঠাসাঠাসি হয়ে দশ/পনেরো, কখনও পঁচিশ মিনিট/আধ ঘণ্টা পর্যন্ত কামরার ভিতর নরকযন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। বারাসত থেকে ছাড়ার সময় কিছুটা এগিয়ে এনে অথবা ক্যানিং থেকে ছাড়ার সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া যায় না?

মণিরুল ইসলাম তপন

কলকাতা-৪৬

 

ট্যাংরা আবাসন

ট্যাংরা সরকারি আবাসনের বাড়িগুলি জরাজীর্ণ অবস্থা। কোনও বাড়ি ভেঙে পড়েছে, কোনও বাড়ির জানালা-দরজা ভাঙা, কোথাও ঘরগুলিতে ফাটল ধরেছে। বহু বার অভিযোগ জানিয়েও সমাধান হচ্ছে না। আবাসনে জলের সমস্যা সাংঘাতিক। যখন-তখন জল চলে যাচ্ছে। জলের পাইপগুলি প্রায়ই খারাপ হচ্ছে। যাঁরা চারতলায় থাকেন তাঁদের জলের সমস্যা তীব্র। কারণ, জলের প্রেশার কম।

নির্ঝর দাশগুপ্ত

কলকাতা-১৫

 

জল পাই কোথায়

ধর্মতলায় গিয়ে জলের জন্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে উঠল। ধর্মতলা শহরের প্রাণকেন্দ্র। বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রচুর মানুষ প্রতি দিন এখানে আসেন। অথচ রাস্তার ধারে টাইমকলে জলের ব্যবস্থা নেই। তৃষ্ণার জল তো মৌলিক অধিকার।

ডালিমকুমার দত্ত

কলকাতা-৬

 

পেনশন

গত সপ্তম বেতন কমিশনের জন্য পেনশন সংশোধনের আদেশ, ভারত সরকারের পেনশন দফতর গত ১২-৫-২০১৭ তারিখে অফিস মেমোরান্ডাম নং ৩৮/৩৭/২০১৬ পি অ্যান্ড পিডব্লিউ (এ) অনুযায়ী ভারত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রককে দিয়েছিল, ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে বলবৎ করার জন্য। কথা ছিল, প্রত্যেক কেন্দ্রীয় সরকারি পেনশনার পাবেন সংশোধিত পিপিও কপি, যে ভাবে অবসরের সময় পেয়েছিলেন পেনশন ডিসবার্সিং কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পেয়ে থাকেন, সংশোধিত পিপিও কপি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পাবেন। কিন্তু বেশির ভাগ কেন্দ্রীয় সরকারি পেনশনার এখনও সংশোধিত পেনশন এবং পিপিও কপি পাননি ব্যাঙ্ক থেকে।

শিবেশ চন্দ্র রায়

সভাপতি, কেন্দ্রীয় সরকারি পেনশনার অ্যাসোসিয়েশন, মানকুণ্ডু

 

চিঠিপত্র পাঠানোর ঠিকানা

সম্পাদক সমীপেষু,

৬ প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিট, কলকাতা-৭০০০০১।

ইমেল: letters@abp.in

যোগাযোগের নম্বর থাকলে ভাল হয়। চিঠির শেষে পুরো ডাক-ঠিকানা উল্লেখ করুন, ইমেল-এ পাঠানো হলেও।

 

ভ্রম সংশোধন

গত ৭-১০ তারিখের ‘আজ টিভিতে’ বিভাগে ভুলবশত ‘আজ ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট ম্যাচের চতুর্থ দিন’ ছাপা হয়েছে। যদিও তৃতীয় দিনেই ওই ম্যাচটি শেষ হয়ে গিয়েছিল। এই ত্রুটির জন্য আমরা দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।