Advertisement

নবান্ন অভিযান

প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য পাঁচ দফা নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন! ভোটের দিন কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে?

সোমবার নির্বাচন কমিশনের তরফে বিভিন্ন থানার ওসি এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিকদের (এসডিপিও) কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল যে, ভোট সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ০০:৫০
জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

জাতীয় নির্বাচন কমিশন। —ফাইল চিত্র।

রাজ্যে বিধানসভা ভোটপর্ব শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রিসাইডিং অফিসারদের উদ্দেশে দায়িত্ব এবং কর্তব্য সম্পর্কিত স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রে মঙ্গলবার এ খবর জানা গিয়েছে।

কমিশন সূত্রের খবর, সব বুথের প্রিসাইডিং অফিসারদের নিম্নলিখিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করে নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে—

১. ইভিএম-এর সব প্রার্থীর বোতাম স্পষ্ট ভাবে দৃশ্যমান থাকতে হবে এবং কোনও প্রার্থীর বোতাম টেপ, আঠা বা অন্য কোনো উপাদান দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না।

২. ভোটের গোপনীয়তা ভঙ্গ করার জন্য ব্যালট ইউনিটের প্রার্থীর বোতামে কোনও রং, কালি, সুগন্ধি বা অন্য কোনো রাসায়নিক প্রয়োগ করা যাবে না।

৩. এ ধরনের কোনো ঘটনা নজরে এলে প্রিসাইডিং অফিসার অবিলম্বে সেক্টর অফিসার বা রিটার্নিং অফিসারকে জানাবেন।

৪. এ ধরনের সব ঘটনা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর সাথে কারচুপি/হস্তক্ষেপ হিসেবে গণ্য হতে পারে, যা একটি নির্বাচনী অপরাধ।

৫. এ ধরনের কোনো ক্ষেত্রে ইসিআই পুনঃভোটের নির্দেশ দেওয়া-সহ ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না।

প্রসঙ্গত, সোমবার নির্বাচন কমিশনের তরফে বিভিন্ন থানার ওসি এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিকদের (এসডিপিও) কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল যে, ভোট সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন। কর্তব্যে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করবে বলে বার্তা দিয়ে কমিশন হুঁশিয়ারি দিয়েছিল— আইন ভাঙার ঘটনায় জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা এসডিপিও-কে বরখাস্ত করা হতে পারে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission of India
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy