রাজ্যে বিধানসভা ভোটপর্ব শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রিসাইডিং অফিসারদের উদ্দেশ্যে দায়িত্ব এবং কর্তব্য সম্পর্কিত স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রে মঙ্গলবার এ খবর জানা গিয়েছে।
কমিশন সূত্রের খবর, সব বুথের প্রিসাইডিং অফিসারদের নিম্নলিখিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করে নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে—
১. ইভিএম-এর সব প্রার্থীর বোতাম স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকতে হবে এবং কোনো প্রার্থীর বোতাম টেপ, আঠা বা অন্য কোনো উপাদান দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না।
২. ভোটের গোপনীয়তা ভঙ্গ করার জন্য ব্যালট ইউনিটের প্রার্থীর বোতামে কোনো রং, কালি, সুগন্ধি বা অন্য কোনো রাসায়নিক প্রয়োগ করা যাবে না।
৩. এ ধরনের কোনো ঘটনা নজরে এলে প্রিসাইডিং অফিসার অবিলম্বে সেক্টর অফিসার বা রিটার্নিং অফিসারকে জানাবেন।
৪. এ ধরনের সব ঘটনা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর সাথে কারচুপি/হস্তক্ষেপ হিসেবে গণ্য হতে পারে, যা একটি নির্বাচনী অপরাধ।
৫. এ ধরনের কোনো ক্ষেত্রে ইসিআই পুনঃভোটের নির্দেশ দেওয়া-সহ ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, সোমবার নির্বাচন কমিশনের তরফে বিভিন্ন থানার ওসি এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিকদের (এসডিপিও) কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল যে, ভোট-সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন। কর্তব্যে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করবে বলে বার্তা দিয়ে কমিশন হুঁশিয়ারি দিয়েছিল— আইন ভাঙার ঘটনায় জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা এসডিপিও-কে বরখাস্ত করা হতে পারে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০১:২৮
ভোটের মুখে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বেআইনি মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে! চলছে নাকা চেকিং -
০০:৫৫
ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ! নির্বাচনের দু’দিন আগে বীরভূমে কমিশনের নির্দেশে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা -
২০:২৮
এক দিকে এক জন মহিলা, অন্য দিকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ইডি, কমিশন কে নেই! তবে মমতার পাশেই মানুষ: অভিষেক -
১৯:৩০
‘অবাধ ভয়মুক্ত বিধানসভা ভোট নিশ্চিত করতে’ হেল্পলাইন চালু করলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, দরকারে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত -
১৭:৪০
ভোটের মুখে আবার ভাঙন হুমায়ুনের দলে! আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন দুই জেলার ছয় প্রার্থী