Advertisement

নবান্ন অভিযান

‘মমতাদিদি সবচেয়ে কঠিন লড়াইগুলোর একটা লড়ছেন’, তৃণমূলনেত্রীকে ফোন করে সমর্থন কেজরীবালের

মঙ্গলবার তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, কংগ্রেস এবং বামদলগুলির প্রচারে গিয়েছিলেন আম আদমি পার্টি (আপ)-র প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়াল। বুধবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে তিনি সমর্থন জানালেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:০৮
Ahead of West Bengal assembly election, AAP chief Arvind Kejriwal spoke to Mamta Banerjee, expressed support for TMC

(বাঁ দিকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীবাল (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটপর্ব শুরুর আগের দিন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করলেন আম আদমি পার্টি (আপ)-র প্রধান অরবিন্দ কেজরীবাল। বুধবার মমতাকে ফোন করার পরে সমাজমাধ্যমে সে কথা জানিয়েছেন কেজরী নিজেই।

সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে কেজরী লিখেছেন, ‘‘এইমাত্র ফোনে মমতাদিদির সঙ্গে কথা বললাম। সম্পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন প্রকাশ করেছি। তিনি সবচেয়ে কঠিন লড়াইগুলির একটি লড়ছেন, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্যও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াইগুলির একটি। সিইসি (কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন)-সহ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের অপব্যবহার করেও মোদীজি হারবেন।

মঙ্গলবার তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, কংগ্রেস এবং বামদলগুলির প্রচারে গিয়েছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেজরীবাল। সেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে মেরুকরণের রাজনীতি করে সামাজিক বিভাজনের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। বুধবার মমতাকে ফোন করার পরে কার্যত তৃণমূলের সুরেই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন তিনি। লোকসভার আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ চালুর কেন্দ্রীয় উদ্যোগ বিরোধী দলগুলি একজোট হয়ে ভেস্তে দিয়েছে গত সপ্তাহে। এই আবহে বিরোধী জোটের অন্দরে কেজরীর এই তৎপরতাবৃদ্ধি ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে অনেকে মনে করছেন।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
২৯ মিনিট আগে
Mamata Banerjee Arvind Kejriwal West Bengal Politics
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy