Advertisement

নবান্ন অভিযান

আইনভঙ্গের যে কোনও ঘটনায় জড়িত থাকলে চাকরি থাকবে না! ওসি এবং এসডিপিও-দের হুঁশিয়ারি দিল নির্বাচন কমিশন

প্রশাসনের ওই সূত্র জানাচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে, ভোট-সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ২২:৩০
জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

জাতীয় নির্বাচন কমিশন। —ফাইল চিত্র।

কাউকে ফোনে। কাউকে মোবাইলে টেক্সট মেসেজে। কাউকে বা মুখোমুখি। রাজ্যে বিভানসভা ভোটপর্ব শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের তরফে বিভিন্ন থানার ওসি এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও)-দের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রের খবর!

প্রশাসনের ওই সূত্র জানাচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে, ভোট-সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন। কর্তব্যে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করবে বলে বার্তা দিয়ে কমিশনের হুঁশিয়ারি— আইন ভাঙার ঘটনায় জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা এসডিপিও-কে বরখাস্ত করা হতে পারে।

ভোটের সময় বোমা বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ শূন্য সহনশীলতা (জ়িরো টলারেন্স) নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়ে কমিশন বার্তা দিয়েছে, গুরুতর অশান্তির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হতে পারে! অর্থাৎ ভোটে অশান্তির ঘটনা ঘটলে তার মূল দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে। ভোটের মুখে ইডি, সিবিআই, আয়কর দফতরের ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল। প্রশ্ন তুলেছে ‘কমিশনের নিরপেক্ষতা’ নিয়েও। সেই বিতর্কের আবহেই এ বার প্রকাশ্যে এল পুলিশকে কমিশনের ‘বার্তা’।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
৫৬ মিনিট আগে
Election Commission of India West Bengal government West Bengal Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy