Advertisement
E-Paper

নবান্ন অভিযান

‘পুলিশ বা সরকারি গাড়িতে যেন নগদ বা বেআইনি কোনও জিনিস পাচার না হয়’! নির্দেশ এডিজির

সুষ্ঠু ভাবে ভোট মেটানোর জন্য পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের উদ্দেশে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা)-র নির্দেশ, গুন্ডাদের রেয়াত নয়। ভোটের সময়, আগে বা পরে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১৬
ADG

ময়নাগুড়িতে নাকা তল্লাশি। —নিজস্ব চিত্র।

সুষ্ঠু এবং অবাধ নির্বাচন সুনিশ্চিত করার জন্য সমস্ত জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং কমিশনারেটের কমিশনারদের নির্দেশিকা পাঠালেন রাজ্যের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) অজয় মুকুন্দ রানাডে। নির্দেশিকার উল্লেখযোগ্য বিষয়, অবৈধ ভাবে পুলিশ বা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে কেউ যাতে কোনও ভাবে নগদ অর্থ বা অন্যান্য সামগ্রী বহন করতে না পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা।

সুষ্ঠু ভাবে ভোট মেটানোর জন্য পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের উদ্দেশে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা)-র নির্দেশ, গুন্ডাদের রেয়াত নয়। ভোটের সময়, আগে বা পরে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বেআইনি অস্ত্রসস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধারের জন্য নজরদারি বাড়ানোরও নির্দেশ দিয়েছেন মুকুন্দ।

বুধবার এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জানিয়েছেন, নাকা তল্লাশির উপর আরও জোর দিতে হবে। শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচনে বাধা হতে পারে বা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে, এমন কোনও জিনিস বরদাস্ত করা হবে না। ভোটের মধ্যে কোথাও কোনও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে সেখানকার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কড়া ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। নির্দেশিকার শেষাংশে বলা হয়েছে, পুলিশের বা কোনও সরকারি গাড়িতে বেআইনি নগদ বা অন্য কিছু যাতে বহন না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

Advertisement

অন্য দিকে, নববর্ষের প্রথম দিনে কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ এবং ডিইও (উত্তর) স্মিতা পাণ্ডে উল্টোডাঙার স্পর্শকাতর এলাকা পরিদর্শনে যান। স্থানীয় বস্তিবাসীর সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। ছোট কোনও অশান্তি হলে হেল্প নম্বরে ফোন করে জানাতে বলছেন তাঁরা। বাসন্তী কলোনি অটো স্ট‍্যান্ড থেকে বাসন্তী কলোনি এলাকা ঘুরে দেখেন।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
১৫ মিনিট আগে
police West Bengal Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy