সুষ্ঠু এবং অবাধ নির্বাচন সুনিশ্চিত করার জন্য সমস্ত জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং কমিশনারেটের কমিশনারদের নির্দেশিকা পাঠালেন রাজ্যের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) অজয় মুকুন্দ রানাডে। নির্দেশিকার উল্লেখযোগ্য বিষয়, অবৈধ ভাবে পুলিশ বা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে কেউ যাতে কোনও ভাবে নগদ অর্থ বা অন্যান্য সামগ্রী বহন করতে না পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা।
সুষ্ঠু ভাবে ভোট মেটানোর জন্য পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের উদ্দেশে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা)-র নির্দেশ, গুন্ডাদের রেয়াত নয়। ভোটের সময়, আগে বা পরে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বেআইনি অস্ত্রসস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধারের জন্য নজরদারি বাড়ানোরও নির্দেশ দিয়েছেন মুকুন্দ।
বুধবার এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জানিয়েছেন, নাকা তল্লাশির উপর আরও জোর দিতে হবে। শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচনে বাধা হতে পারে বা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে, এমন কোনও জিনিস বরদাস্ত করা হবে না। ভোটের মধ্যে কোথাও কোনও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে সেখানকার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কড়া ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। নির্দেশিকার শেষাংশে বলা হয়েছে, পুলিশের বা কোনও সরকারি গাড়িতে বেআইনি নগদ বা অন্য কিছু যাতে বহন না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।
আরও পড়ুন:
অন্য দিকে, নববর্ষের প্রথম দিনে কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ এবং ডিইও (উত্তর) স্মিতা পাণ্ডে উল্টোডাঙার স্পর্শকাতর এলাকা পরিদর্শনে যান। স্থানীয় বস্তিবাসীর সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। ছোট কোনও অশান্তি হলে হেল্প নম্বরে ফোন করে জানাতে বলছেন তাঁরা। বাসন্তী কলোনি অটো স্ট্যান্ড থেকে বাসন্তী কলোনি এলাকা ঘুরে দেখেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত