ঘণ্টা খানেকের ঝড়-বৃষ্টিতে শুক্রবার লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। তাতে গোটা রাজ্যে আট জনের মৃত্যু হয়। শুক্রবারই দুর্যোগে মৃতদের পরিবারকে চার লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘোষণা মতো শনিবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে মৃত প্রবীণকুমার ঠাকুরের পরিবারের সদস্যের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন তিনি।
শুভেন্দু জানান, কোনও সহায়তাই এই মর্মান্তিক ক্ষতি পূরণ করতে পারবে না। তবে কঠিন সময়ে শোকস্তব্ধ পরিবারের পাশে রয়েছে রাজ্য সরকার। প্রবীণ একা নন, দুর্যোগে প্রাণ হারানো রাজ্যের অন্য নানা প্রান্তের বাসিন্দাদের পরিবারের কাছেও সাহায্য পৌঁছে গিয়েছে সরকারের তরফে।
আরও পড়ুন:
শুক্রবার দুপুর থেকে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও ঝড়ের গতি ছিল ৬০ কিলোমিটার। কোথাও তা ছিল ৭০ কিলোমিটার। পরে আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলকাতার উপর দিয়ে ওই সময়ে ৮৮ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়। দুর্যোগের কবলে পড়ে দু’জনের মৃত্যু হয়। ঝড়ের মধ্যে আউট্রাম ঘাটের কাছে আম কুড়োতে গিয়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। ঝড়ের কারণে গাছের ডাল ভেঙে চক্ররেলের ওভারহেড তার ছিঁড়ে পড়ে। তাতেই আগুন ধরে বিপত্তি। প্রাণ হারান ওই যুবক। শুক্রবার দুপুরে চেতলায় প্রীতম্বর ঘটক লেনে একটি পাঁচিল ভেঙে পড়ে এক প্রবীণের শরীরের উপর। তড়িঘড়ি তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। সেই পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিলেন শুভেন্দু।