ভোটগণনার আগে আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া। শনিবার রাতে নোয়াপাড়ার গারুলিয়ায় বিজেপি নেতা কুন্দন সিংহের বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর দু’রাউন্ড গুলি চলল। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও (যদিও সেই ফুটেজের সত্যতা যাচাই কেরনি আনন্দবাজার ডট কম) ছড়িয়ে পড়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, শনিবার রাতে বাইকে চেপে আসেন দু’জন। বাইকটি থামে কুন্দনের বাড়ির সামনে। বাইকের পিছনে বসা যুবক নেমে বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালান। তার পরেই বাইকে চেপে চম্পট দেয় দু’জন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাত থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক কুন্দনের দাবি, ‘‘কেন আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল, তা জানি না। সিসিটিভি দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করতে পেরেছি। ওরা তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতী। ওদের ছবি অনেক তৃণমূল নেতার সঙ্গে রয়েছে।’’ নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহও সিসিটিভি ফুটেজ দেখিয়ে একই অভিযোগ করেছেন।
গুলিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ। সূত্রের খবর, ওই সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুই অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। বাইকের চালকের আসনে ছিলেন আকাশ চৌধরি নামে এক যুবক। আর বাইকের পিছনে ছিলেন আমনদীপ চৌধরি। পুলিশ দু’জনকেই গ্রেফতার করেছে। রবিবারই তাঁদের আদালতে হাজির করিয়ে নিজেদের হেফাজতে চেয়েছে পুলিশ। যে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালানো অভিযোগ, তা উদ্ধার করা হয়েছে। সেই বন্দুক থেকে গুলি চলেছে কি না, তা-ও পরীক্ষা করে দেখছেন তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন:
বিজেপির অভিযোগ, ভোটের গণনার আগে এলাকায় ভয়ের বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। নোয়াপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের সঙ্গে আততায়ীদের যোগ রয়েছে বলে দাবি বিজেপির। যদিও বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। তৃণাঙ্কুরের দাবি, তিনি দুষ্কৃতীদের চেনেন না। এ-ও জানান, ঘটনার সঙ্গে যাঁরাই যুক্ত থাকুন না কেন, সকলকে গ্রেফতার করে আইন মেনে শাস্তি দেওয়া হবে। জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সোমমনাথ শ্যামের দাবি, এই হামলা পরিকল্পনা করেছে বিজেপি নিজেরাই।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২১:১৭
মেয়ের বিয়ে, অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলার অভিযোগে ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর নাড়ু -
১৯:৫৮
বিজেপি কম ব্যবধানে এগোলেই পুনর্গণনার দাবি! গণনাকেন্দ্রের অদূরে হোটেল ভাড়া করে রাত কাটাতে হবে প্রার্থীদের: মমতা -
১৯:২১
ইভিএম ‘পাহারায়’ তৎপরতা বিজেপিরও! রবিবার রাজ্যে সব স্ট্রংরুমের সামনে পদ্মশিবিরের মহিলা কর্মীরা বসছেন অবস্থানে -
১৬:৫২
‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর অত্যাচার যাঁরা সয়েছেন, তাঁরা পুরস্কৃত হবেন’! বড় জয় নিয়ে প্রত্যয়ী মমতা ও অভিষেকের বার্তা দলীয় বৈঠকে -
১৫:৪০
আবার অশান্ত ফলতা! দফায় দফায় উত্তেজনা, পুনর্নির্বাচনের দাবি তুললেন গ্রামবাসীদের একাংশ, রিপোর্ট তলব কমিশনের