আবার ভোট-ময়দানে রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। প্রাক্তন সাংবাদিক, ২০১৬ সালের বিধানসভায় ‘লড়াকু প্রার্থী’কে এ বার বিজেপি টিকিট দিয়েছে দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্র থেকে। আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যের ১৬০ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট। স্বপনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিদায়ী বিধায়ক তৃণমূলের দেবাশিস কুমার। জমি মামলায় ভোটের আগেই যিনি ইডি তদন্তের মুখে পড়েছেন। ইতিমধ্যে জোরদার প্রচারে সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।
স্বপনের সম্পত্তি
নির্বাচনী হলফনামায় বিজেপি প্রার্থী জানিয়েছেন, তাঁর হাতে নগদ রয়েছে ১০ হাজার টাকা। স্ত্রী রেশমি রায় দাশগুপ্তের হাতে আছে ৫ হাজার টাকা। পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে রাসবিহারীর বিজেপি প্রার্থীর। এ ছাড়া শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ রয়েছে। স্বপন তিনটি গাড়ির মালিক। সেগুলির একত্রে মূল্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। সবচেয়ে দামি গাড়িটির মূল্য সাড়ে ১৮ লক্ষ টাকা। সাংবাদিক-স্ত্রীর কোনও ব্যক্তিগত গাড়ি নেই।
হলফনামায় স্বপন এ-ও জানিয়েছেন, তিনি ৫০ গ্রাম সোনার মালিক। যার বর্তমান বাজারমূল্য ৭ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর কাছে ৫১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার সোনার গয়না রয়েছে। আসবাবপত্র ২০ লক্ষ টাকার। ৫০ লক্ষ টাকার পেন্টিং রয়েছে বাড়িতে। ১০ লক্ষ টাকার প্রাচীন শিল্পবস্তু আছে। ১০ লক্ষ টাকার স্ট্যাম্প সংগ্রহে রয়েছে বিজেপি প্রার্থীর। সব মিলিয়ে স্বপনের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি ৫৩ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা। স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৫৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৩৭৪ টাকা।
স্বপন বা তাঁর স্ত্রীর কোনও চাষের জমি নেই। দম্পতির পৈতৃক সম্পত্তিও নেই। নয়াদিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কে একটি বাসভবন রয়েছে। অর্ধেক মালিকানা স্বপনের, অর্ধেক রেশমির। বাসভবনের মোট বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। ওটাই তাঁদের স্থাবর সম্পত্তি। স্বামী-স্ত্রী, কারও মাথায় ঋণের বোঝা নেই।
পেশা: লেখালিখি
রাজনীতিক স্বপন নির্বাচনী হলফনামায় জানিয়েছেন, তিনি পেশায় লেখক। স্ত্রী-ও তা-ই। তাঁর আয়ের উৎস লেখালিখি এবং পেনশন। স্ত্রী স্রেফ লেখালিখি করেই অর্থ উপার্জন করেন।
স্বপনের শিক্ষা:
১৯৮০ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের সোয়াস থেকে পিএইচডি করেছেন রাসবিহারীর বিজেপি প্রার্থী।
মামলাহীন প্রার্থী:
নির্বাচনী হলফনামায় স্বপন জানিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা-মোকদ্দমা নেই।
২০১৬ সালে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হন সাংবাদিক স্বপন। তবে গত বিধানসভা ভোটে তাঁকে হুগলির তারকেশ্বর থেকে ভোটে লড়তে পাঠায় পদ্মশিবির। যদিও হাজার সাতেক ভোটে হেরে যান সে বার। কয়েক মাস পরে আবার স্বপনকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেয় বিজেপি। ’২৬ সালের বিধানসভা ভোটে স্বপনকে তাঁর চেনা এলাকা থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত