Advertisement
E-Paper

আইএসএল জেতার পরেই ইস্টবেঙ্গলের কোচ জানিয়ে দিলেন নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, রশিদ, ইউসেফদের মুখে সমর্থকদের কথা

অস্কার জানিয়ে দিলেন, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে আলোচনায় বসে রাজি তিনি সব পরিকল্পনা ঠিক থাকলে পরের মর্মে উপস্থিত থাকতে আপত্তি নেই তাঁর। অন্য দিকে, ফুটবলাররা কৃতিত্ব দিলেন সমর্থকদের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ মে ২০২৬ ০১:১৩
ট্রফি নিয়ে ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার।

ট্রফি নিয়ে ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার। ছবি: সমাজমাধ্যম।

বৃহস্পতিবার আইএসএল জয়ের পর ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজ়োর সাংবাদিক সম্মেলনে দেখা গেল অদ্ভুত দৃশ্য। ট্রফির সঙ্গে চলে এলেন কয়েক জন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফেরা। একসঙ্গে মিলে ট্রফি নিয়ে চলল নাচ। অবশ্য ইস্টবেঙ্গলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির বিচারের খুব একটা অবাক হওয়ার মতো বিষয় নয়। ২২ বছর পর ট্রফি জেতা দলের আবেগ যে একটু বেশিই হবে সেটা বোঝাই যায়। কোচ থেকে ফুটবলার, কেউই আবেগ ধরে রাখার চেষ্টা করলেন না। অস্কার জানিয়ে দিলেন, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে আলোচনায় বসে রাজি তিনি সব পরিকল্পনা ঠিক থাকলে পরের মর্মে উপস্থিত থাকতে আপত্তি নেই তাঁর। অন্য দিকে, ফুটবলাররা কৃতিত্ব দিলেন সমর্থকদের।

সাংবাদিক বৈঠকে অস্কার বললেন, `আমি যেটা আগেও বলেছি সেটা আবারও বলছি যদি ক্লাবের কাছে একজনের মধ্যে কোনও পরিকল্পনা থাকে তা হলে আমি কথা বলতে রাজি। যদি কোন পরিকল্পনা না থাকে তা হলে কোনও কথা হবে না। এটা শুধু আমার ক্ষেত্রে নয়, ফুটবলারদের জন্যও একই কথা বলছি।`

ইস্টবেঙ্গল কোচের সাফ কথা, তাঁদের এই কৃতিত্বকে কোনও ভাবেই খাটো করে দেখলে চলবে না। তিনি বলেছেন, `হয়তো আপনারা বলতে পারেন এটা ১৩ ম্যাচের লিগ। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে গত ১১ মাস ধরে আমরা এই লিগের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। ধারাবাহিক ভাবে ভাল খেলার চেষ্টা করেছি। আজ সেই প্রস্তুতির ফল পেলাম। অনেক সময় পর পর ম্যাচ খেলতে হয়েছে। তাই এ বছর যা করেছি তা অনবদ্য। অনেক সময়ই বাড়তি বিরতি পেয়েছি সূচির কারণে। কিন্তু আমরা বসে না থেকে সেই সময়টাও কাজে লাগিয়েছি।`

কাঁর সংযোজন, `আজকের ম্যাচটা যেভাবে জিতেছি তাতে বোঝা গিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের উত্তরাধিকার বহন করতে আমরা সক্ষম ইন্টার কাশীকে ধন্যবাদ দেব আমাদের বিরুদ্ধে এতটা লড়াই করার জন্য। আমরা মাঠে নিজেদের সেরাটা দিয়েছি। চ্যাম্পিয়ন হওয়া কোনও দলের পক্ষেই খুব একটা সহজ কাজ নয়।`

অস্কারের মতে, ``মরশুমের অন্যতম সেরা একটা ম্যাচ খেললাম। খুব ভাল ম্যাচ হয়েছে। আমরা লড়াই করে ম্যাচে ফিরেছি এই জন্যেই ফুটবলে বলা হয় কখনো আশা ছেড়ো না। আজ আমরা ইতিহাস তৈরি করলাম। আশা করি ভবিষ্যতে আমরা আরও ট্রফি জিতব।

১১ গোল করে সোনার বুট জিতেছেন ইউসেফ এজ্জেজারি। তিনি বলেন, `এই বুট সমর্থকদের জন্য। এর থেকে ভাল অনুভূতি আর হয় না। অসাধারণ সমর্থন পেয়েছি। ২২ বছর পর ট্রফি জিতলাম। যেখানেই খেলেছি ওরা সমর্থন করতে এসেছেন। যারা আমার উপর বিশ্বাস রেখেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ। হয়তো এটা আমার সেরা ম্যাচ।`

আবেগে ভাসছেন বাঙালি ফুটবলার শৌভিক চক্রবর্তীও। তিনি বলেন, `আমরা সবাই মিলে লড়ে ক্লাবকে ট্রফি দিয়েছি। আরও কম বয়সে ইস্টবেঙ্গলে এলে ভাল হতো। অনেক অপমান, লাঞ্ছনা সহ্য করতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের। আজকে ওঁদের দিন। আশা করি ইস্টবেঙ্গলের পুরনো গরিমা আবার ফিরবে।`

গোলকিপার প্রভসুখন গিল বলেন, ``আমায় নিয়ে আলাদা করে কথা বলতে চাই না। সেভ করাই আমার কাজ। গোটা দলের অনেক উপকার হয়েছে। এই মুহূর্তে কোনও এক জনের কথা বলা ঠিক নয়। ইউসেফ দশটা গোল করেছে। গোটা দল দারুণ রক্ষণ করেছে। তাই সবাইকে নিয়েই কথা বলতে হবে।

ইস্টবেঙ্গলের ট্রফি এসেছে যাঁর গোল, সেই মহম্মদ রশিদ বলেন, `অসাধারণ একটা পরিবেশে খেললাম। আপনারা সকলেই দেখতে পেয়েছেন কী রকম সমর্থনের মধ্যে আমাদের খেলতে হয়েছে। সত্যি বলতে এখন কিছু বলার মত ভাষা নেই। সমর্থকরা এই ট্রফির আসল দাবিদার।`

East Bengal Oscar Bruzon
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy