Advertisement
E-Paper

বিধাননগর এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকে আপাতত যেতে হচ্ছে না ভিন্‌রাজ্যে! তবে বাকি ১৩ জনের নির্দেশ বহাল

রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ১৩:২১
Bidhannagar Police Commissioner Muralidhar Sharma and Siliguri Police Commissioner Syed Waqar Raja do not have to go to Tamil Nadu for now

(বাঁ দিকে) বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার ওয়াকার রাজ়া (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

আপাতত ভিন্‌রাজ্যে যেতে হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গের দুই কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনারকে। বুধবার রাতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার ওয়াকার রাজ়াকে ভোটে পর্যবেক্ষক হিসাবে তামিলনাড়ুতে পাঠানো হচ্ছে! সূত্রের খবর, আপাতত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। তবে রাজ্যের বাকি অপসারিত ১৩ জন আইপিএস আধিকারিকের জন্য পুরনো নির্দেশই বহাল থাকবে। অর্থাৎ, তাঁদের কেরল এবং তামিলনাড়ুতে যেতে হবে।

রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!

অপসারিত আমলা এবং আইপিএস-দের মধ্যে কয়েক জনকে ইতিমধ্যেই কেরল এবং তামিলনাড়ুতে পর্যবেক্ষক হিসাবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সেই তালিকায় ছিলেন রাজ্যের ১৫ জন আইপিএস অফিসার। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দফায় দফায় তাঁদের সরানো হয়। তবে বৃহস্পতিবার জানা গেল, আপাতত বিধাননগর এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকে ভিন্‌রাজ্যে যেতে হচ্ছে না।

বুধবার রাতে একটি নতুন নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানায়, রাজ্যের ১৫ জন আইপিএস অফিসারকে তামিলনাড়ু এবং কেরলে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করেছে তারা। নির্দেশিকায় এ-ও বলা হয়েছিল, অবিলম্বে তাঁদের কাজে যোগ দিতে হবে। এই ১৫ জনের তালিকায় ছিলেন আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া, আমনদীপ, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, সি সুধাকর, ধৃতিমান সরকার, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, মুরলীধর, মুকেশ, প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী, প্রিয়ব্রত রায়, সন্দীপ কাররা, রশিদ মুনির খান এবং ওয়াকার রাজ়া। তবে ওয়াকার এবং মুরলীধরের জন্য জারি নির্দেশ স্থগিত করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।

IPS Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy