পাথরকে পুজো না-করে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের আরাধনা করার নিদান দিচ্ছেন সে রাজ্যের বিজেপি নেতা। ভিডিয়ো প্রকাশ করে এমনটাই দাবি করল তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, বিজেপি ব্যক্তি-আরাধনার এই রীতিকেই পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসতে চায়। তার মাধ্যমে মা দুর্গার জায়গাও মোদী নিয়ে নিতে চান বলে দাবি করেছে তৃণমূল।
উত্তরপ্রদেশের গোপামউ কেন্দ্রের বিধায়ক শ্যাম প্রকাশ সম্প্রতি একটি জনসভায় মোদী এবং যোগীর আরাধনা প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্যটি করেছেন বলে অভিযোগ। তৃণমূল সেই অংশের ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে। তাতে বিজেপি বিধায়ককে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘আমি তো জ্যান্তু মানুষকে ভগবান মনে করি। যোগীজি আর মোদীজিকে ভগবান মনে করায় কোনও ভুল নেই। কারণ, ওঁরাই আমাদের কিছু দিতে পারেন। দেওয়ার ক্ষমতা ওঁদের আছে। পাথরের কাছে কিছু চাইলে সে তো আপনাকে কিছু দিতে পারবে না!’’ বিষয়টি ‘ধর্মদ্রোহিতা’ বলে উল্লেখ করেছে তৃণমূল।
আরও পড়ুন:
সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োটির সঙ্গে তৃণমূলের তরফে লেখা হয়েছে, ‘‘মোদী কী ভাবে এক বার নিজেকে অজৈবিক বলে দাবি করেছিলেন, মনে আছে তো? ওঁর শিষ্যেরা এ বার আক্ষরিক অর্থেই সেই পথে হাঁটতে শুরু করেছে। প্রথমে বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র দাবি করলেন, মহাপ্রভু জগন্নাথ নাকি মোদীর ভক্ত। বিজেপি বিধায়ক শ্যাম প্রকাশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন। প্রকাশ্যে মানুষকে তিনি পাথর পুজো বন্ধ করতে বলছেন! এটা বিপজ্জনক ব্যক্তি উপাসনা, যা ধর্মদ্রোহিতার আওতায় পড়ে। এরাই তাঁরা, যাঁরা ‘ধর্মরক্ষক’ এবং ‘হিন্দু ধর্মের অভিভাবক’ হিসাবে নিজেদের প্রচার করেন।’’ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কখনও এই ‘পাগলামি’ গ্রহণ করবেন না বলে দাবি করেছে তৃণমূল।
বুধবার অম্বেডকর জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন শ্যাম। পরে এই বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, জনসভায় যা বলেছেন, তা তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। বিভিন্ন বাড়িতে পারিবারিক দেবতা হিসাবে যে পাথরের উপাসনা করা হয়, তিনি সেগুলির কথাই বলতে চেয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য বিজেপির কেউ এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে উত্তরপ্রদেশের বিধায়ক ভোটের মুখে এ রাজ্যে বিজেপিকে অস্বস্তিতে ফেলে দিলেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২৩:৪৫
শুভেন্দুর রোড শো-তে ধুন্ধুমার হাওড়ায়! বিজেপিকে দেখে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তৃণমূলের, শুনে ক্রুদ্ধ বিরোধী দলনেতা -
২২:২৩
আমার গাড়ির কাছেও এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী! ‘তল্লাশি-চ্যাট ফাঁসের’ পর অভিযোগ মমতার, মানতে নারাজ সিইও মনোজ -
২১:০৮
১২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মুম্বইতে বাড়ি! কত কোটির মালিক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়? বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি-গয়নাই বা কত -
২১:০২
বিদ্যুৎই নেই কলকাতার ১০০-র বেশি বুথে! অবিলম্বে বন্দোবস্ত করতে বলল কমিশন, স্কুলও কি চলে বিদ্যুৎ ছাড়া? উঠছে প্রশ্ন -
১৮:১৬
কাশ্মীর থেকে ভবানীপুরে এল বুলেটনিরোধক গাড়ি! বড়সড় অশান্তি ঠেকাতে ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় বাহিনী, টহলদারি শুরু