পশ্চিমবঙ্গের ন’টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও স্থায়ী শিক্ষিক (পার্মানেন্ট ফ্যাকাল্টি) নেই। মঙ্গলবার এই অভিযোগ করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্যের শিক্ষাঙ্গনের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সাতটিতে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১১ হাজার।’’
বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, ক্লাস শুরু হয়ে যাওয়ার কয়েক মাস পরে স্বীকৃতি পেয়েছে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘বারাসত স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ২০১৯ সালে যে নিয়োগ হয়েছে, তার কোনওটাতেই নিয়ম মানা হয়নি। দু’জনকে নিয়োগ করা হয়েছে বয়স পেরিয়ে যাওয়ার পর। পিএইচডি ডিগ্রি বিক্রি হচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে কোনও ভূমিকা নেই। ক্যাম্পাসের ভিতর অনেক গাছ, জলাভূমি স্থানীয় রাজনৈতিক গুন্ডাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে।’’
আরও পড়ুন:
রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের তরফে ধারাবাহিক কেন্দ্রীয় বঞ্চনার যে অভিযোগ তোলা হয়, সে প্রসঙ্গে শমীক বলেন, ‘‘চ্যালেঞ্জ করছি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব কেন্দ্রের প্রশ্নের উত্তর দিন । কারণ, রাজ্য সরকার বারবার বলে, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিচ্ছে না। কিন্তু আসলে রাজ্যের দুর্নীতির জন্য কেন্দ্র হিসাব চেয়েছে। ১০০ দিনের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দিতে চায়। কিন্তু দিতে পারছে না রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে। রাজ্য সরকার দরিদ্র মানুষদের ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে বিজেপির বিরুদ্ধে। শিক্ষকদের এই সরকার বঞ্চিত করছে, রাজ্য সরকারের কর্মীদের এই সরকার বঞ্চিত করছে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত