Advertisement

বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে বাস অধিগ্রহণ শুরু, ৬ মে পর্যন্ত নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা রাজ্য জুড়ে

ভোটের প্রায় এক মাস আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর চলাচল ও নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য বেসরকারি বাস অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতে প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে মঙ্গলবার থেকে এই প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০১
Bus requisition for the Assembly elections has begun; commuters face inconvenience

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে বৃহস্পতিবার। সেই উপলক্ষে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বেসরকারি বাস অধিগ্রহণ শুরু হয়েছে। কিন্তু প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোটের সঙ্গে গণনাপর্ব সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে মঙ্গলবার থেকে বেশি সংখ্যায় বাস অধিগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটের প্রায় এক মাস আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর চলাচল ও নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য বেসরকারি বাস অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতে প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে মঙ্গলবার থেকে এই প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, প্রথম দফার ভোটে মোট ১৫২টি নির্বাচনকেন্দ্রের জন্য বিপুল সংখ্যক বাস অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ফলে ২১ এপ্রিল থেকেই বহু বাসকে নির্বাচনী দায়িত্বে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। এর জেরে রাস্তায় যাত্রিবাহী বাসের সংখ্যা হঠাৎ করেই কমে যাবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যযাত্রীদের উপর। শুধু প্রথম দফা নয়, পরবর্তী দফার ভোটের প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। ২৯ এপ্রিলের নির্বাচনের জন্য ২৬ এপ্রিল থেকেই সংশ্লিষ্ট বাসগুলিকে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। ফলে এক দফার পর আর এক দফা— এই ধারাবাহিক বাস অধিগ্রহণের ফলে প্রায় টানা কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থায় চাপ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ভোটগণনা নির্ধারিত হয়েছে ৪ মে। তার আগ পর্যন্ত এবং পরবর্তী কয়েক দিন বাসগুলি নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত হবে। ফলে অন্তত ৬ মে পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে বাস সংগঠনগুলি। কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যের মানুষকে এই সময়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাস সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পরিস্থিতি অনিবার্য এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ীই বাসগুলি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে তারা দুঃখপ্রকাশও করেছে।

Advertisement

পরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে বিকল্প যানবাহনের উপর চাপ বাড়বে এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে বাড়ি থেকে বার হওয়া উচিত। নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এই ব্যবস্থা জরুরি হলেও, তার প্রভাব যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পড়বে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। পরিবহণ দফতরের অবশ্য দাবি, নিত্যযাত্রীদের জন্য বিকল্প বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।

bus service Daily Passenger
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy