দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই বিভিন্ন বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি উঠেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটের পরে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদনও জানানো হয়েছে। তবে কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন হবে, তা স্ক্রুটিনি করে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। এ বার সেই স্ক্রুটিনি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ফোন করে এই নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, যে চার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে, তার সব ক’টাই দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এর মধ্যে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্গত তিনটি। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের আবেদনের ভিত্তিতে পুনর্নির্বাচন করা হবে কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া শুরু করল কমিশন। ফলতা, মগরাহাট এবং সোনারপুর এলাকায় পুনর্নির্বাচন নিয়ে স্ক্রুটিনিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে সুব্রতকে। সেই নির্দেশ পাওয়ার পরেই ডায়মন্ড হারবারে গেলেন তিনি।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে খবর, যে ৭৭টি বুথে পুননির্বাচনের আবেদন জানানো হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, ফলতা বিধানসভার ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারের ২৯টি, বজবজের ৩টি এবং মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার ১৩টি। এর মধ্যে ফলতা, ডায়মন্ড হারবার এবং বজবজ বিধানসভা অভিষেকের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্গত। দক্ষিণ ২৪ পরগনারই জয়নগর লোকসভা অন্তর্গত মগরাহাট পূর্ব।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, সোমবার থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ফলতা। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বাড়ির কাছে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের তরফে অজয়ের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ফলতাতেই বুধবার ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথের ইভিএমে ‘টেপ’ লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৬:৪৮
২২৬ পেরিয়ে যাব, বিজেপি টাকা দিয়ে বুথফেরত সমীক্ষা দেখিয়েছে! সমাজমাধ্যমে মুখ খুললেন মমতা, ভিডিয়োবার্তা -
১১:৪৯
ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে জোড়া মামলা! হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ কল্যাণ-সহ দুই আইনজীবীর, শুনানি শেষ -
২৩:৫০
দু’দফা মিলিয়ে ৫১ লক্ষ ভোটার কমেছিল, ভোটদান বৃদ্ধি ৩০ লক্ষ! ‘চমকপ্রদ’ কাণ্ডে রেকর্ড রাজ্যে, নিশ্চিত প্রভাব পড়বে ফলাফলে -
২২:৩৫
পাঁচ দশকে তৃতীয় বার যথার্থ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখল পশ্চিমবঙ্গ! আর কবে এই রকম ভোট হয়েছিল এই রাজ্যে -
২২:০৪
২৩০ পার করবেই, দু’দফা ভোট শেষে অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণে দাবি তৃণমূলের! ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম কেন্দ্র নিয়ে কী ভাবছে শাসকদল?