Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোটের দু’দিন আগে থেকেই বাইক চালানোয় বিধিনিষেধ জারি করে দিল কমিশন! কোন কোন ক্ষেত্রে মিলবে ছাড়

কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোটের দু’দিন আগে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো যাবে। কিন্তু এই সময় বাইকের পিছনে কোনও যাত্রী বসতে পারবেন না।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১৬

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ভোটের দু’দিন আগে থেকেই বাইক চালানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, ভোটের দু’দিন আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না। সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো যাবে না। ভোটের দিন বাইক চালানোর ক্ষেত্রেও বেশ কিছু নিয়ম মানতে হবে। নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্ষেত্রে অবশ্য এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোটের দু’দিন আগে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো যাবে। কিন্তু এই সময় বাইকের পিছনে কোনও যাত্রী বসতে পারবেন না। ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো যাবে। তবে শর্ত হল, ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে বা জরুরি কোনও কাজে বাইক নিয়ে বেরোলে তবেই এই ছাড় মিলবে।

তবে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে (যেমন চিকিৎসা, পারিবারিক কাজ কিংবা স্কুলে শিশুদের নিয়ে যাওয়া-নিয়ে আসা) এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হবে না। সামাজিক অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য যাঁরা বাইকে সওয়ার হবেন, তাঁদেরও ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, র‌্যাপিডো কিংবা অন্যান্য অ্যাপভিত্তিক পরিষেবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে না।

এর বাইরে কেউ বিধিনিষেধ থেকে ছাড় পেতে চাইলে তাঁকে স্থানীয় থানার কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। এই নিষেধাজ্ঞাগুলি সংবাদপত্র, টিভি, সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ভাবে প্রচার করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর। অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে এই বিধিনিষেধ যাতে লঙ্ঘিত না-হয়, তা নিশ্চিত করতে বলেছে‌ কমিশন।

আগামী ২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) রাজ্যে প্রথম দফায় ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হবে। প্রথম দফার ভোটের আগে সোমবার থেকেই ওই এলাকায় বাইক সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কার্যকর হচ্ছে। দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ২৭ এপ্রিল থেকেই ওই সমস্ত এলাকায় ওই বিধিনিষেধ জারি হবে। কমিশনের নির্দেশের পরেই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কলকাতা পুলিশ।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
ECI Bike
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy