Advertisement
WBState_Assembly_Elections_Lead0_04-05-26

নবান্ন অভিযান

‘হুমকি পেলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন’! রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুরোধ কমিশনের, দিল ফোন নম্বরও

ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এই মর্মে অভিযোগ জমা পড়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০২৬ ১৭:০১

— প্রতীকী চিত্র।

বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনার মাঝেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ। এর মাঝেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, কোনও রাজনৈতিক দল যদি মনে করে, তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ঝুঁকি রয়েছে, তা হলে যেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এ জন্য একটি নম্বরও দিয়েছে কমিশন। ১৮০০ ৩৪৫ ০০০৮ নম্বরে ফোন করে রাজনৈতিক দলগুলিকে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে।

পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি আসনে ভোটগণনা চলছে। তার মাঝেই সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। সেখানে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বলেও অভিযোগ। অভিযোগ, কলকাতার জগদীশচন্দ্র বোস কলেজের সামনে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কলেজের ভিতরে ছিলেন তৃণমূল সমর্থকেরা। বাইরে লাঠি হাতে বিজেপি কর্মীরা জড়ো হন বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, তাঁদের দেখে তৃণমূল কর্মীদের কেউ কেউ লুকিয়ে পালিয়ে যান। তৃণমূল কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় ওই কলেজে গিয়েছিলেন বলে খবর। অন্য দিকে, কল্যাণী ব্লকের মুরাতিপুরের তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এই মর্মে অভিযোগ জমা পড়েছে। পুলিশকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। তার পরেই কমিশনের তরফে সব রাজনৈতিক দলকে অভিযোগ জানানোর কথা বলা হয়েছে।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
৪৪ মিনিট আগে
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy