Advertisement
WBState_Assembly_Elections_Lead0_04-05-26

নবান্ন অভিযান

২০২৩-এর ৪ মার্চ মাথা মোড়ান! ৩৮ মাস পর ৪ মে প্রতিজ্ঞাপূরণ, কৌস্তভ বাগচীকে ‘ব্র্যান্ডেড’ শ্যাম্পু উপহার দেবেন স্ত্রী প্রীতি

২০২৩ সালের ৪ মার্চ মাথা মুড়িয়ে ফেলেছিলেন কৌস্তভ বাগচী। প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে উৎখাত করতে না-পারলে মাথায় চুল রাখবেন না।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০২৬ ১৬:৪৮
গেরুয়া আবির মেখে স্ত্রী প্রীতির সঙ্গে জয় উদ্‌যাপন কৌস্তভ বাগচীর।

গেরুয়া আবির মেখে স্ত্রী প্রীতির সঙ্গে জয় উদ্‌যাপন কৌস্তভ বাগচীর। —ফাইল চিত্র।

বিজেপির জয়ে প্রীতি-উপহার পেতে চলেছেন ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী। ২০২৩ সালের ৪ মার্চ মাথা মুড়িয়ে ফেলেছিলেন তিনি। প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে উৎখাত করতে না-পারলে মাথায় চুল রাখবেন না।

এত দিন পর্যন্ত সেই প্রতিজ্ঞা বজায় রেখেছিলেন কৌস্তভ। অবশেষে ৩৮ মাস মাথায় চুল রাখার বিষয়ে আর কোনও ‘বাধা’ রইল না কৌস্তভের। কৌস্তভের জয়ে উচ্ছ্বসিত স্ত্রী প্রীতি। স্বামীর জন্য ইতিমধ্যেই উপহার কিনে ফেলেছেন তিনি। প্রীতি বলেন, “কৌস্তভের পাশে ছিলাম, আছি, থাকব। উপহার দেব পছন্দের ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু।”

একই সঙ্গে প্রীতির সংযোজন, “অনেক সয়েছি। অনেক লড়েছি। ক্ষমতার বিরুদ্ধে লড়াইকে কাছ থেকে দেখেছি। আজ বড় তৃপ্ত লাগছে। আরও ভাল লাগছে, যখন দেখলাম কাউন্টিং সেন্টার থেকে রাজ চক্রবর্তী পালাচ্ছেন।”

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট বলছে, ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সপ্তম রাউন্ড গণনা শেষে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তথা তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর তুলনায় প্রায় ১৪ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন কৌস্তভ। ইতিমধ্যেই গণনাকেন্দ্রের বাইরে গেরুয়া আবির মেখে আনন্দে মেতেছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
১২ মিনিট আগে
BJP TMC Barrackpore
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy