Advertisement
WBState_Assembly_Elections_Lead0_03-05-26

নবান্ন অভিযান

গণনাকর্মীদের মোবাইল নম্বর প্রকাশিত হলে কড়া পদক্ষেপ, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দফতর সূত্রে খবর, নিয়ম অনুযায়ী ভোট গণনাকক্ষের ভিতরে কেবল পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসার মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ১৯:০০

— প্রতীকী চিত্র।

ভোটগণনা কর্মীদের মোবাইল নম্বর কোনও ভাবেই প্রকাশ করা যাবে না। নম্বর প্রকাশ পেলেই পদক্ষেপ করা হবে। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও)-দের জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দফতর সূত্রে খবর, নিয়ম অনুযায়ী ভোট গণনাকক্ষের ভিতরে পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসার মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন। এ ছাড়া অন্য কেউ গণনাকক্ষের ভিতরে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। তার পরেও গণনায় উপস্থিত কোনও কর্মীর মোবাইল নম্বর যাতে প্রকাশিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন।

ফর্ম-১৭সি-টু-তে ফলাফল লেখা হবে। সেটা ‘কাউন্টিং সুপারভাইজ়র’ প্রস্তুত করবেন। কাউন্টিং এজেন্টরা উপস্থিত থাকবেন এবং তাঁরা সই করবেন। প্রতিটি টেবিলে উপস্থিত মাইক্রো অবজ়ার্ভারকে আলাদা করে ফলাফল লিখে রাখতে হবে।

প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের জন্য এক জন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। সব মিলিয়ে মোট ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁদের কাজ গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা দেখা। কমিশন জানিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা গণনাকক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। তাঁরা অন্যান্য নির্বাচনী কর্মীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি (ফলতা ব্যতীত) আসনে ভোট গণনা হবে। ভোট গণনায় সাহায্য করার জন্য গণনা পর্যবেক্ষক (কাউন্টিং অবজার্ভার) নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ওই পর্যবেক্ষকদের কাজ হবে গণনা প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা। তা ছাড়া গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণের জন্য পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিয়োগ করা হচ্ছে।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
৩৪ মিনিট আগে
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy