এক বিধানসভা কেন্দ্রের ভিভিপ্যাট স্লিপ পড়ে রয়েছে অন্য বিধানসভা আসনের রাস্তায়! গণনার আগের দিন উঠে আসা এই অভিযোগ নিয়ে এ বার মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন। জানাল, ওগুলি আসল ভোটের ভিভিপ্যাট স্লিপ নয়। ওগুলি মকপোলের সময়ের। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমনটাই উঠে এসেছে বলে জানাচ্ছে কমিশন। তবে গোটা ঘটনাটি বিশদে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা।
রবিবার বেশ কিছু ভিভিপ্যাট স্লিপের ছবি এবং ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে (ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। তাতে দেখা যায়, খোলা জায়গায় মাটিতে পড়ে রয়েছে স্লিপগুলি। তৃণমূল শিবিরের দাবি, মধ্যমগ্রাম বিধানসভা এলাকার নীলগঞ্জ সুভাষনগর এলাকায় একটি পেট্রল পাম্পের কাছে ওই ভিভিপ্যাট স্লিপগুলি পড়ে ছিল। ছড়িয়ে পড়া ওই ছবি এবং ভিডিয়োয় দেখা যায়, নোয়াপাড়া বিধানসভার বিভিন্ন দলের প্রতীক এবং প্রার্থীর নামও রয়েছে স্লিপগুলিতে।
আরও পড়ুন:
গণনার আগের দিন বিকেলে এই ভিডিয়ো এবং ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। বিষয়টি নজরে আসে কমিশনেরও। প্রাথমিক অনুসন্ধানের পরে কমিশনের দাবি, যে ভিভিপ্যাট স্লিপগুলি পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে, সেগুলি মক পোলের সময়ের। ভোটগ্রহণ পর্বের দিনের প্রকৃত ভোটের সঙ্গে ওই স্লিপগুলির কোনও যোগ নেই বলেই জানাচ্ছে কমিশন। তবে কী ভাবে ওই ভিভিপ্যাট স্লিপগুলি এমন খোলা জায়গায় পড়ে ছিল, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। কমিশনের তরফেও এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। কমিশন জানিয়েছে, গোটা ঘটনাটি বিশদে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি যাচাই করে দেখা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে জানাচ্ছে কমিশন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২০:৩৪
গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কোনও ঢিলেমি সহ্য করবে না কমিশন! কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে ফের বার্তা দিলেন সিইও মনোজকুমার -
১৯:০০
গণনাকর্মীদের মোবাইল নম্বর প্রকাশিত হলে কড়া পদক্ষেপ, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন -
১৮:১৬
এ বার বর্ধমানে স্ট্রংরুম-বিতর্ক! সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? কারচুপি সন্দেহে অবস্থান বিক্ষোভে তৃণমূল নেতৃত্ব -
১৭:৪৪
কোথায় কোন আসনের গণনা? রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভার গণনা কোন ৭৭ কেন্দ্রে? বিশদ তালিকা দিল নির্বাচন কমিশন -
১৬:৪৯
জয় নিয়ে প্রত্যয়ী শমীক! গণনার আগে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন, কেউ যেন হিংসায়, অশান্তিতে জড়িয়ে না পড়েন