Advertisement

নবান্ন অভিযান

গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কোনও ঢিলেমি সহ্য করবে না কমিশন! কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে ফের বার্তা দিলেন সিইও মনোজকুমার

নির্বাচন কমিশন থেকে আবার জানানো হয়েছে, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে প্রোটোকল অনুযায়ী পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা থাকবেন গণনাকেন্দ্রে। প্রতি স্তরের জন্য আলাদা নিয়ম রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ২০:৩৪
Manoj Agarwal

সিইও মনোজকুমার অগ্রবাল। —ফাইল চিত্র।

গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কোনও রকম ঢিলেমি সহ্য করা হবে না। ফলঘোষণার আগের দিন এ ভাবেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের সতর্কবার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার অগ্রবাল। রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কাউন্টিং এজেন্টরা ভোট গণনাকেন্দ্র ছাড়তে পারবেন না বলেও জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

কমিশন থেকে আবার জানানো হয়েছে, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে প্রোটোকল অনুযায়ী পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা থাকবেন গণনাকেন্দ্রে। প্রতি স্তরের জন্য আলাদা নিয়ম রয়েছে। রবিবার সিইও জানান, যদি দ্বিতীয় স্তরে কোনও অনিয়ম ধরা পড়ে তবে প্রথম স্তরের নিরাপত্তা কর্মীদের দায় নিতে হবে। আবার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্তরের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এর কোনও রকম অন্যথা হবে না।

ভোটগণনার জন্য আগেই অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক (কাউন্টিং অবজ়ার্ভার) নিয়োগ করার কথা জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিয়োগ করা হচ্ছে আরও পুলিশ পর্যবেক্ষকও। সব মিলিয়ে মোট ২৪২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, গণনা পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসার ব্যতীত আর কেউ মোবাইল নিয়ে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। ফর্ম-১৭সি-টু-তে ফলাফল লেখা হবে, তা ‘কাউন্টিং সুপারভাইজ়র’ প্রস্তুত করবেন। কাউন্টিং এজেন্টরা উপস্থিত থাকবেন এবং তাঁরা সই করবেন। প্রতিটি টেবিলে উপস্থিত মাইক্রো অবজ়ার্ভারকে আলাদা করে ফলাফল লিখে রাখতে হবে। রবিবার একটি নির্দেশিকায় কমিশন জানিয়েছে, ভোটগণনা কর্মীদের মোবাইল নম্বর কোনও ভাবেই প্রকাশ করা যাবে না। নম্বর প্রকাশ পেলেই পদক্ষেপ করা হবে। এই মর্মে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও)-দের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের জন্য এক জন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। সব মিলিয়ে মোট ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁদের কাজ গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা দেখা। কমিশন জানিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা গণনাকক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। তাঁরা অন্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Manoj Agarwal CEO Election Commission vote counting
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy