Advertisement

নবান্ন অভিযান

নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভিভিপ্যাট স্লিপ মধ্যমগ্রামের রাস্তায় পড়ে! গণনার আগে ছবি দেখিয়ে অভিযোগ তৃণমূলের

তৃণমূলের দাবি, রবিবার মধ্যমগ্রামে রাস্তার উপর নোয়াপাড়া বিধানসভার বেশ কিছু ভিভিপ্যাট স্লিপ পড়েছিল। এক তৃণমূলকর্মী বিষয়টি খেয়াল করেন। তার পর দলকে তা জানান।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ২০:৩০
তৃণমূলের তরফে এই ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

তৃণমূলের তরফে এই ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত।

ভোটগণনার আগের দিন রাস্তায় ছড়িয়ে ভিভিপ্যাটের স্লিপ! ছবি এবং ভিডিয়ো দেখিয়ে এমনই অভিযোগ করল তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি, রবিবার মধ্যমগ্রামে রাস্তার উপর নোয়াপাড়া বিধানসভার বেশ কিছু ভিভিপ্যাট স্লিপ পড়েছিল। এক তৃণমূলকর্মী বিষয়টি খেয়াল করেন। তার পর দলকে জানান।

তৃণমূলের দাবি, ভিভিপ্যাট স্লিপগুলি মধ্যমগ্রাম বিধানসভা এলাকার নীলগঞ্জ সুভাষনগর এলকার একটি পেট্রল পাম্পের কাছে পড়েছিল। তৃণমূলের প্রকাশিত ছবি এবং ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, নোয়াপাড়া বিধানসভার বিভিন্ন দলের প্রতীক এবং প্রার্থীর নাম সম্বলিত ওই স্লিপগুলি রাস্তায় ছড়িয়েছিটিয়ে ছিল। (যদিও এই ছবি এবং ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)

প্রসঙ্গত, ইভিএম যন্ত্রের পাশেই থাকে ভিভিপ্যাট। ব্যালট ইউনিটে নির্দিষ্ট জায়গায় বোতামে চাপ দেওয়ার পরে লাল আলো জ্বলে ওঠে। একটি ‘বিপ’ শব্দও হয়। এর পরেই সংশ্লিষ্ট ভোটদাতা যাঁকে ভোট দিয়েছেন, সেই প্রার্থীর নাম, ক্রমিক সংখ্যা ও প্রতীক ভিভিপ্যাটের ব্যালট স্লিপে ছাপানো অক্ষরে দেখা যায়। সর্বাধিক তা সাত সেকেন্ড থাকে। তার পরে সেই তথ্য-সংবলিত স্লিপ মুদ্রণযন্ত্রের ‘ড্রপবক্সে’ পড়ে যায়। যদি ভিভিপ্যাট ঠিক ভাবে কাজ না-করে অথবা ইভিএম-এর লাল আলো না-জ্বলে, কিংবা আওয়াজ না-হয়, তা হলে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানানো যায়। একটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটি এলাকা থেকে যে কোনও পাঁচটি বুথ বেছে নিয়ে সেখানে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাটের কাগজের হিসাব মিলিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশন।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Noapara madhyamgram TMC VVPAT
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy