গণনার আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি তৃণমূলে। রবিবার সন্ধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কাউন্টিং এজেন্ট, কাউন্সিলর এবং ওয়ার্ড সভাপতিদের বৈঠকে ডেকেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল সূত্রে খবর, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাসভবন সংলগ্ন দফতরে এই বৈঠকটি হবে।
সোমবার ভবানীপুর-সহ রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা হবে। তার আগের দিন সন্ধ্যায় নিজের বিধানসভার কেন্দ্রের কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা। তৃণমূলের ওই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বৈঠকে ডাকা হয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত আটটি ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরদের। থাকবেন ওই ওয়ার্ডগুলির সভাপতিরাও।
তৃণমূল সূত্রে খবর, এই বৈঠকে গণনার দিন কাউন্টিং এজেন্ট এবং ভবানীপুরে দলের অন্য পদাধিকারীদের কার কী ভূমিকা হবে, তা স্পষ্ট করে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই দলীয় কর্মীদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছিলেন বিদায়ী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। অরফ্যানগঞ্জের বিজেপি কার্যালয়ে ওই বৈঠকটি হয়।
গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভবানীপুরে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ভবানীপুর। কারণ, সেখানে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু। গত বছর নন্দীগ্রামে যে রাজনৈতিক দ্বৈরথ দেখা গিয়েছিল, এ বার ভবানীপুরে সেটাই দেখা যাবে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা। খাস কলকাতায় তৃণমূলের গড়ে শুভেন্দু গতবারের মতো সাফল্য পান কি না, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে সব মহলেই।
শনিবার বিকেলে দলের কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকে দলের সমস্ত প্রার্থী এবং গুরুত্বপূর্ণ নেতারাও যোগ দিয়েছিলেন। তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, ভোটগণনা নিয়ে কাউন্টিং এজেন্টদের একগুচ্ছ নির্দেশ দেন মমতা-অভিষেক। গণনাকেন্দ্রের প্রতিটি মুহূর্তের খবর দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানাতে বলা হয়। কোনও কেন্দ্রে খুব অল্প ব্যবধানে বিজেপি এগিয়ে থাকলে পুনর্গণনার আর্জি জানাতেও বলা হয়ে। গণনাপ্রক্রিয়ার উপর নজর রাখতে ইতিমধ্যেই জেলাওয়াড়ি পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে তৃণমূল।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৪:৪৪
কোন জেলায় কাজ করবেন কত জন গণনা পর্যবেক্ষক? জানিয়ে দিল কমিশন, সবচেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনায়, কম কোথায় -
১৩:০৯
ভোটগণনার আগে উত্তপ্ত নোয়াপাড়া! বিজেপি নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, পুলিশ গ্রেফতার করল ২ অভিযুক্তকে -
২১:১৭
মেয়ের বিয়ে, অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলার অভিযোগে ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর নাড়ু -
১৯:৫৮
বিজেপি কম ব্যবধানে এগোলেই পুনর্গণনার দাবি! গণনাকেন্দ্রের অদূরে হোটেল ভাড়া করে রাত কাটাতে হবে প্রার্থীদের: মমতা -
১৯:২১
ইভিএম ‘পাহারায়’ তৎপরতা বিজেপিরও! রবিবার রাজ্যে সব স্ট্রংরুমের সামনে পদ্মশিবিরের মহিলা কর্মীরা বসছেন অবস্থানে