সিসি ক্যামেরা বন্ধ থাকার প্রতিবাদে এ বার স্ট্রংরুমের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ভোটের ফল ঘোষণার একদিন আগে উত্তপ্ত বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের ইউআইটি ভবন এলাকা।
বর্ধমান ইউআইটি ভবন জেলার পাঁচটি বিধানসভা— আউশগ্রাম, ভাতার, গলসি, বর্ধমান উত্তর ও বর্ধমান দক্ষিণের স্ট্রংরুম। তৃণমূলের দাবি, রবিবার আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমে থাকা সিসি ক্যামেরা প্রায় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট বন্ধ ছিল। তারা তথ্য দিয়ে জানায়, সকাল ৯টা ২৪ মিনিট থেকে ১০টা ৩৭ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা বন্ধ ছিল।
অন্য দিকে, জেলাশাসক শ্বেতা অগ্রবাল জানান, বিদ্যুৎ পরিষেবায় যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে সিসি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। কিন্তু বিকেলে আউশগ্রাম বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী শ্যামাপ্রসন্ন লোহারের নেতৃত্বে ইউআইটি বিল্ডিংয়ের মূল গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সিসি ক্যামেরার বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হলেও সুরাহা হয়নি। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা সকাল থেকেই নজর রাখছিলাম। হঠাৎ দেখি সিসি ক্যামেরা বন্ধ। সঙ্গে সঙ্গে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানাই।’’
আরও পড়ুন:
স্ট্রংরুমের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে তৃণমূল। —নিজস্ব চিত্র।
একই অভিযোগ করেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি বলেন, “আমরা ওই সময়ের ফুটেজ দেখতে চেয়েছি। কিন্তু কমিশন তা দেখাতে পারেনি।’’ আউশগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী শ্যামাপ্রসন্নের অভিযোগ, ‘‘গোটা বিষয়টি নিয়ে আমরা শঙ্কায় ছিলাম। ওই ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ চাইছিলাম। পাইনি।’’
বেশ কিছু ক্ষণ ধর্না চলার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সাঁজোয়া গাড়ি। সিএপিএফ জওয়ানেরা যান। খবর পেয়ে উপস্থিত হন বর্ধমান থানার আইসি। তিনি ধর্নায় থাকা তৃণমূল নেতা-কর্মী এবং সমর্থকদের জানান, ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সেখান থেকে উঠে যেতে হবে। বেশ কিছু ক্ষণ কথাবার্তার পরে অবশেষে অবস্থান তুলে নিয়েছে তৃণমূল।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৯:০০
গণনাকর্মীদের মোবাইল নম্বর প্রকাশিত হলে কড়া পদক্ষেপ, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন -
১৭:৪৪
কোথায় কোন আসনের গণনা? রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভার গণনা কোন ৭৭ কেন্দ্রে? বিশদ তালিকা দিল নির্বাচন কমিশন -
১৬:৪৯
জয় নিয়ে প্রত্যয়ী শমীক! গণনার আগে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন, কেউ যেন হিংসায়, অশান্তিতে জড়িয়ে না পড়েন -
১৫:৪৪
ভবানীপুরের কাউন্টিং এজেন্ট, কাউন্সিলরদের রবি-সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে ডাক মমতার! গণনার আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি -
১৪:৪৪
কোন জেলায় কাজ করবেন কত জন গণনা পর্যবেক্ষক? জানিয়ে দিল কমিশন, সবচেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনায়, কম কোথায়