দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫ বুথের পুনর্নির্বাচনে প্রায় সর্বত্রই ৯০ শতাংশের বেশি বা কাছাকাছি ভোট পড়ল। ১৫টির মধ্যে একটি বুথ বাদে বাকি সর্বত্রই ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। শুধু একটি বুথে ভোটদানের হার ৯০ শতাংশের সামান্য কম।
শনিবার রাজ্যের দুই বিধানসভা আসন— ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম মিলিয়ে মোট ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন হয়। এর মধ্যে ছিল ডায়মন্ড হারবারের চারটি বুথ এবং মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথ। ওই ১৫টি বুথের কোথায় কত ভোট পড়েছে, তার চূড়ান্ত হিসাব রবিবার প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতে দেখা যাচ্ছে ভোটদানের হার সবচেয়ে বেশি মগরাহাট পশ্চিমের বাহিরপুয়া কুরকুরিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক স্কুলের ২৩০ নম্বর বুথে। সেখানে ভোট পড়েছে ৯৫.০৭ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মগরাহাট পশ্চিমেরই নাজরা অবৈতনিক প্রাথমিক স্কুলের ১২৬ নম্বর বুথে। সেখানে পুনর্নির্বাচনে ভোটদানের হার ৮৯.৭৩ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ডায়মন্ড হারবারের ১১৭ নম্বর বুথে ৯২.৫০ শতাংশ, ১৭৯ নম্বর বুথে ৯১.৫৯ শতাংশ, ১৯৪ নম্বর বুথে ৯২.১১ শতাংশ এবং ২৪৩ নম্বর বুথে ৯০.০৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। অন্য দিকে, মগরাহাট পশ্চিমের ৪৬ নম্বর বুথে ৯১.৩৪ শতাংশ, ১২৬ নম্বর বুথে ৮৯.৭৩ শতাংশ, ১২৭ নম্বর বুথে ৯৪.৬০ শতাংশ, ১২৮ নম্বর বুথে ৯৩.২৫ শতাংশ, ১৪২ নম্বর বুথে ৯২.০১ শতাংশ, ২১৪ নম্বর বুথে ৯০.২৭ শতাংশ, ২১৫ নম্বর বুথে ৯১.৮৭ শতাংশ, ২১৬ নম্বর বুথে ৯০.৫৭ শতাংশ, ২৩০ নম্বর বুথে ৯৫.০৭ শতাংশ, ২৩১ নম্বর বুথে ৯২.৪১ শতাংশ এবং ২৩২ নম্বর বুথে ৯৩.২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
আরও পড়ুন:
কমিশন সূত্রে শনিবার রাতেই জানা গিয়েছিল, ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৫টি বুথে ভোটদানের হার ৯০ শতাংশ ছুঁয়ে ফেলেছে। এ বার ওই ১৫টি বুথের প্রতিটিতে ভোটদানের হারের চূড়ান্ত হিসাব জানিয়ে দিল কমিশন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত