বর্তমানে রেমো ডিসুজ়া ও তাঁর স্ত্রী লিজ়েল ডিসুজ়া খ্যাতনামী ও জনপ্রিয়। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা তৈরি করতে লড়াই করতে হয়েছিল তাঁকে। রেমো ছিলেন ব্যাকগ্রাউন্ড নৃত্যশিল্পী। দিনে ৭৫০ টাকা আয় করতেন সেই সময়ে। আর লিজ়েল ছিলেন মডেল। লিজ়েল তুলনায় অনেক বেশি পারিশ্রমিক পেতেন। সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে শুরুর দিনের কথা বলেছেন দম্পতি।
লিজ়েল জানান, তাঁদের প্রথম দেখা হয়েছিল ছবির একটি গানের শুটিংয়ে। স্মৃতি হাতড়ে রেমো বলেন, “আমি ছিলাম ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার, ও ছিল মডেল। আমরা গরমে নাচতাম আর পেতাম ৭৫০ টাকা। আর ওরা পেত ৪৫০০ টাকা। ওদের জন্য ছিল আলাদা থাকার ব্যবস্থা, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি। আর আমরা আউটডোর শুটে বাসে করে যেতাম। ওরা যেত বিমানে।”
তাই শুরুতে তাঁদের সম্পর্কে একটু টানাপড়েন ছিল বলেও জানান দম্পতি। তবে এক শুটিং সেট থেকেই সম্পর্কে শুরু রেমো ও লিজ়েলের। লি়জ়েল বলেন, “এক বার আউটডোর শুটে আমরা সবাই একসঙ্গে যাচ্ছিলাম। রেমো আমাকে মাথায় মালিশ করতে বলল, আমি করলাম। সেখান থেকেই আমাদের ভালবাসার শুরু।” ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পেতে গিয়ে বর্ণবৈষম্যেরও শিকার হয়েছিলেন বলে জানান রেমো।
“আমাদের একটা দল ছিল— ‘সুপার ব্র্যাটস’। পাঁচ জন ছেলে ছিলাম। একটি সুযোগ এসেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ‘বলিউডের কাউকে নয়, নতুন মুখ চাই।’ আমরা পাঁচ জনই অডিশনে গেলাম। আমাদের সবাইকে দেখলেন। আমি একদম শেষে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কয়েকজনকে বেছে নিলেন, বাকিদের বার করে দিলেন। আমিও বাদ পড়েছিলাম।” রেমোর ধারণা, তিনি শ্যামবর্ণ ছিলেন বলে বাদ পড়েছিলেন। তাঁর কথায়, “আমি তখনই জামনগর থেকে এসেছিলাম, আর তখন আমার গায়ের রং খুবই কালো ছিল। আমার মনে হয়েছিল, সেই কারণেই আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।” তবে তিনি কখনও হাল ছাড়েননি।