Advertisement

নবান্ন অভিযান

ডোমকলে বাম সমর্থকদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, রিপোর্ট তলব করল কমিশন

মুর্শিদাবাদের ডোমকলে বাম সমর্থকদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১৬

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

মুর্শিদাবাদের ডোমকলে বাম সমর্থকদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।

বুধবার রাত থেকেই ডোমকলে দফায় দফায় বাম এবং তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর এলাকায় সিপিএম সমর্থকদের একাংশকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এ-ও অভিযোগ যে, প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিষ্ক্রিয় ছিল। রাজ্য পুলিশের তরফ থেকেও সাহায্য মেলেনি। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাহিনীর কর্তারা।

অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। হ্যান্ডমাইক নিয়ে বাম সমর্থকদের আশ্বস্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় ভোট দিতে যান এলাকার বাম সমর্থকেরা। ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে তৃণমূলের তরফে কিছু বলা হয়নি।

Advertisement

ডোমকলের যে বুথে সিপিএম সমর্থক ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, সেই ২১৭ নম্বর বুথে যান মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) শুভম বজাজ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ তিনি মানেননি। পরে ওই বুথ পরিদর্শনে যান তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান ভোটারদের একাংশ।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
১ মিনিট আগে
Domkal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy