প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ (ভিআইএস) বিলি করার সময় বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন। আগেই জানানো হয়েছিল, এ বার আর কোনও রাজনৈতিক দল নয়। স্লিপ বিলি করতে হবে বুথ লেভেল অফিসারদেরই (বিএলও)। বুধবার কমিশন জানিয়েছে, আগামী শনিবারের মধ্যে প্রথম দফার ভোটের সমস্ত স্লিপ বিলি করে ফেলতে হবে। ভোটগ্রহণের অন্তত পাঁচ দিন আগে ভোটারেরা যেন স্লিপ হাতে পান, তা নিশ্চিত করবেন বিএলও-রা। এই স্লিপের মধ্যে বিশেষ কিউআর কোডও থাকবে।
আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ১৫২টি কেন্দ্রে ওই দিন ভোট হবে। তার পাঁচ দিন আগে শনিবার, ১৮ এপ্রিলের মধ্যে বিএলও-দের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে স্লিপ বিলির কাজ শেষ করতে হবে।
আরও পড়ুন:
বরাবরই ভোটের স্লিপ বিলি করা বিএলও-দের কাজ। কিন্তু অনেক জায়গাতেই তাঁরা তা করতেন না। পরিবর্তে রাজনৈতিক দলগুলি স্লিপ বিলি করত। কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই স্লিপের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগও উঠেছে। এ বার বিএলও-দের এই কাজ করা বাধ্যতামূলক করেছে কমিশন। বিএলও ছাড়া বেআইনি ভাবে অন্য কেউ এই স্লিপ রাখলে জনপ্রতিনিধি আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হতে পারে।
বিএলও-দের কাছে ভোটার স্লিপগুলির মধ্যে যে কিউআর কোড থাকবে, তার মাধ্যমে ভোটারদের তথ্য যাচাই করা যাবে। স্থানীয় ভাষায় লেখা স্লিপগুলির মধ্যে থাকবে ভোটারের নাম ও তথ্য, ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা, ভোটের তারিখ, সময়, বুথের মানচিত্র। এ ছাড়া, ভোট দিতে গিয়ে কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়, স্পষ্ট ভাবে স্লিপে উল্লেখ করা থাকবে। কমিশন জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে স্লিপ প্রত্যেক ভোটারের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। যাতে আগে থেকেই তাঁরা বুথ, সময় এবং অন্যান্য তথ্য জানতে পারেন।
রাজনৈতিক দল স্লিপ বিলি করতে না-পারলেও প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধিরা স্লিপ বিলির সময় বিএলও-দের সঙ্গে থাকতে পারবেন বলে জানিয়েছে কমিশন। গোটা প্রক্রিয়া তাঁরা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৬:৫৬
‘দিদি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করেছেন, বাজেটে মাত্র ১২০০ কোটি টাকা দিয়েছেন’! কটাক্ষ শাহের -
১৫:০৩
তৃণমূল নেতাদের গাড়িতে যদি তল্লাশি হয়, প্রধানমন্ত্রী আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গাড়িতে কেন হবে না? ইসলামপুরে প্রশ্ন মমতার -
০৯:৪৪
কেন্দ্রের ‘অত্যাচারের বিরুদ্ধে’ বদলা নেওয়ার ডাক! নববর্ষে সম্প্রীতির বার্তা মমতার, শামিল হতে আহ্বান গণতন্ত্রের উৎসবে -
০৮:১৪
প্রথম দফার ভোটে মোতায়েন হচ্ছে ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! মুর্শিদাবাদে সর্বাধিক, দ্বিতীয় স্থানেই শুভেন্দুর জেলা -
এন্টালিতে প্রচারে বেরিয়ে প্রিয়ঙ্কার উপর ‘হামলা’! কমিশনের কাছে ক্ষোভ বিজেপি প্রার্থীর, অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের