Advertisement

নবান্ন অভিযান

প্রথম দফার ভোটের স্লিপ বিলির সময় বাঁধল কমিশন, রাজনৈতিক দল নয়! বাড়ি বাড়ি ঘুরবেন বিএলও-রা

আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ১৫২টি কেন্দ্রে ওই দিন ভোট হবে। তার আগে বিএলও-দের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে স্লিপ বিলির কাজ শেষ করতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৪১
ভোটের স্লিপ বিলি করতে হবে বিএলও-দের।

ভোটের স্লিপ বিলি করতে হবে বিএলও-দের। —ফাইল চিত্র।

প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ (ভিআইএস) বিলি করার সময় বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন। আগেই জানানো হয়েছিল, এ বার আর কোনও রাজনৈতিক দল নয়। স্লিপ বিলি করতে হবে বুথ লেভেল অফিসারদেরই (বিএলও)। বুধবার কমিশন জানিয়েছে, আগামী শনিবারের মধ্যে প্রথম দফার ভোটের সমস্ত স্লিপ বিলি করে ফেলতে হবে। ভোটগ্রহণের অন্তত পাঁচ দিন আগে ভোটারেরা যেন স্লিপ হাতে পান, তা নিশ্চিত করবেন বিএলও-রা। এই স্লিপের মধ্যে বিশেষ কিউআর কোডও থাকবে।

আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ১৫২টি কেন্দ্রে ওই দিন ভোট হবে। তার পাঁচ দিন আগে শনিবার, ১৮ এপ্রিলের মধ্যে বিএলও-দের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে স্লিপ বিলির কাজ শেষ করতে হবে।

বরাবরই ভোটের স্লিপ বিলি করা বিএলও-দের কাজ। কিন্তু অনেক জায়গাতেই তাঁরা তা করতেন না। পরিবর্তে রাজনৈতিক দলগুলি স্লিপ বিলি করত। কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই স্লিপের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগও উঠেছে। এ বার বিএলও-দের এই কাজ করা বাধ্যতামূলক করেছে কমিশন। বিএলও ছাড়া বেআইনি ভাবে অন্য কেউ এই স্লিপ রাখলে জনপ্রতিনিধি আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হতে পারে।

বিএলও-দের কাছে ভোটার স্লিপগুলির মধ্যে যে কিউআর কোড থাকবে, তার মাধ্যমে ভোটারদের তথ্য যাচাই করা যাবে। স্থানীয় ভাষায় লেখা স্লিপগুলির মধ্যে থাকবে ভোটারের নাম ও তথ্য, ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা, ভোটের তারিখ, সময়, বুথের মানচিত্র। এ ছাড়া, ভোট দিতে গিয়ে কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়, স্পষ্ট ভাবে স্লিপে উল্লেখ করা থাকবে। কমিশন জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে স্লিপ প্রত্যেক ভোটারের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। যাতে আগে থেকেই তাঁরা বুথ, সময় এবং অন্যান্য তথ্য জানতে পারেন।

রাজনৈতিক দল স্লিপ বিলি করতে না-পারলেও প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধিরা স্লিপ বিলির সময় বিএলও-দের সঙ্গে থাকতে পারবেন বলে জানিয়েছে কমিশন। গোটা প্রক্রিয়া তাঁরা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
voter slip BLO Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy