Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোটের আগে রাজ্যে বাজেয়াপ্ত ১৯৭ কোটি নগদ! মদ, মাদক এবং অন্যান্য সামগ্রী-সহ উদ্ধার মোট ৪১৭ কোটি

এ পর্যন্ত মোট ১৯৭ কোটি ৩৮ লক্ষ নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত হয়েছে, ৭৮ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার মদ, ৯৫ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকার মাদক, ৫২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার সোনা-সহ মূল্যবান ধাতু।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৪
Election Commission steps up reviewing West Bengal election preparedness as seizures reach Rs 416 crore

—প্রতীকী ছবি।

ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে গত এক মাসে হিসাব বহির্ভূত প্রায় ৪১৭ কোটি টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী (মদ ইত্যাদি) বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, গত ১৫ মার্চ আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হওয়ার পর থেকে ১৪ এপ্রিল রাত পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করা নগদ টাকা এবং ‘নিষিদ্ধ সামগ্রী’র মোট অঙ্ক ৪১৬ কোটি ৯৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর জানাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), নার্কোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি), আয়কর দফতর, সিআইএসএফ, সিআরপিএফ, আরপিএফ (রেল রক্ষীবাহিনী)-এর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের অভিযানে মোট ১৯৭ কোটি ৩৮ লক্ষ নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত হয়েছে, ৭৮ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার মদ, ৯৫ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকার মাদক, ৫২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার সোনা-সহ মূল্যবান ধাতু এবং প্রায় ১৭১ কোটি টাকার অন্যান্য সামগ্রী।

আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হওয়ার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি এবং বোমা উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে কমিশন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিইও-র দফতরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত বৈঠকের পরে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোট ঘোষণার পরে রাজ্য থেকে ৩২৭টি লাইসেন্স বিহীন আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫৩৯ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। এ ছাড়া, ১১১০টি বোমা এবং প্রায় ১২৯ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে রাজ্য পুলিশ এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা ও বাহিনী।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission Election Commission of India Assembly Election ECI CEO Model Code of Conduct
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy