E-Paper

কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগে প্রথমেই মামলা না করার নির্দেশ

সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট নির্দেশে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা কর্তব্যরত অবস্থায় সৎ উদ্দেশ্যে কোনও পদক্ষেপ করলেও যদি তা নিয়ে অভিযোগ ওঠে, সে ক্ষেত্রে অভিযোগের ভিত্তিতে সরাসরি মামলা করা যাবে না। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত করতে হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬ ০৯:২২

—প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটের কাজে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ জমা পড়লে প্রাথমিক তদন্ত করার পরে তবেই মামলা রুজু করা যেতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা নিয়ে পুলিশের উদ্দেশ্যে এক গুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। সেখানেই জেলার পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনারদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট নির্দেশে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা কর্তব্যরত অবস্থায় সৎ উদ্দেশ্যে কোনও পদক্ষেপ করলেও যদি তা নিয়ে অভিযোগ ওঠে, সে ক্ষেত্রে অভিযোগের ভিত্তিতে সরাসরি মামলা করা যাবে না। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত করতে হবে। তার পরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন কোচবিহারের শীতলখুচিতে বুথের বাইরে গোলমাল থামাতে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। যাতে মৃত্যু হয় পাঁচ গ্রামবাসীর। পরে মৃতদের পরিবারের তরফে ওই জওয়ানদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হলে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। বর্তমানে ওই মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে রয়েছে। সূত্রের খবর, এই মামলার তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং তা খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের সার্কিট বেঞ্চে একাধিক মামলা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক এই নিদের্শিকায় মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে বলা হয়েছে, ওই জেলায় আগে থেকে মোতায়েন থাকা অতিরিক্ত ১৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সর্বোচ্চ ক্ষমতায় ব্যবহার করতে হবে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের এপ্রিলে ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মুর্শিদাবাদের সুতি, ধুলিয়ান, শামসেরগঞ্জের মতো এলাকা। যাতে মৃত্যু হয় একাধিক জনের। ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি গ্রামে। সেই হিংসার ঘটনায় হাই কোর্টের নির্দেশে মোতায়েন করা হয়েছিল ১৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, কোথাও যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসে থাকতে না হয়, তার জন্য বাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে সোমবারের মধ্যে বৈঠক করতে হবে পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের। সেই মতো এ দিনই আলিপুরে বডিগার্ড লাইন্সে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন কলকাতার নগরপাল অজয়কুমার নন্দ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

central forces West Bengal Assembly Election

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy