Advertisement

বিধায়ক দেবাশিস, প্রার্থী মমতার প্রস্তাবক মিরাজের বাড়ি-সহ নানা ঠিকানায় আয়কর হানা, কড়া প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের

বড়বাজার এবং হাওড়ার দু’টি ঠিকানাতেও শুক্রবার আয়কর অভিযান হয়েছে। এ ছাড়া, জমি ইডির তরফে একটি নির্মাণ সংস্থার কর্ণধারের বা়ড়ি এবং দফতর মিলিয়ে মোট চারটি ঠিকানায় তল্লাশি হয়েছে বলে খবর।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ২২:৪২
রাসবিহারীর বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। তাঁর শাশুড়ির ফ্ল্যাটের নীচে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

রাসবিহারীর বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। তাঁর শাশুড়ির ফ্ল্যাটের নীচে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। — নিজস্ব চিত্র।

সকাল থেকে ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান। পাঁচটি জায়গায় ইডির। অন্তত ১০টি জায়গায় আয়কর দফতরের। বিধানসভা ভোটের আগে দুই কেন্দ্রীয় সংস্থার এই ‘সক্রিয়তায়’ বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনীতির ময়দানে। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে, ভোটের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দুই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে বিজেপি। অন্য দিকে, ইডি এবং আয়কর দফতর জানিয়েছে, জমি দুর্নীতি সংক্রান্ত বেআইনি আর্থিক লেনদেনের সন্ধান পেতেই এই তল্লাশি অভিযান।

শুক্রবার যে জায়গাগুলিতে আয়কর অভিযান হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে— ১. কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ তথা রাসবিহারীর তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের বাড়ি ২. রাসবিহারীর প্রার্থী দেবাশিসের নির্বাচনী কার্যালয় ৩. দেবাশিস কুমারের বাড়ির অদূরে একটি দলীয় দফতর (সেটি বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে) ৪. দেবাশিস কুমারের শাশুড়ি যে ফ্ল্যাটে থাকেন ৫. কালীঘাটে তৃণমূলের ‘প্রভাবশালী’ নেতা কুমার সাহার বাড়ি ৬. মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ ব্যবসায়ী তথা ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়ি।

বড়বাজার এবং হাওড়ার দু’টি ঠিকানাতেও শুক্রবার আয়কর অভিযান হয়েছে। এ ছাড়া, জমি ইডির তরফে একটি নির্মাণ সংস্থার কর্ণধারের বা়ড়ি এবং দফতর মিলিয়ে মোট চারটি ঠিকানায় তল্লাশি হয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে টালিগঞ্জ এবং সল্ট লেকের দু’টি ঠিকানা রয়েছে। দেবাশিস এবং‌ কুমার সাহার বাড়িতে অভিযান চলাকালীন স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। দেবাশিসকে দীর্ঘক্ষণ জেরাও করেন আয়কর আধিকারিকেরা। প্রায় ১৫ ঘণ্টা আয়কর অভিযান শেষে দেবাশিস জানান, সরকারি আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেছেন। যা জিজ্ঞাসা করেছেন, তিনি সে সবের জবাব দিয়েছেন। তবে বাড়ি-অফিসে আয়কর হানার পর আখেরে তাঁর উপকারই হয়েছে! এতে বিধানসভা ভোটে জয়ের মার্জিন আরও বাড়ল।

Advertisement

জয়ের ব্যবধান বাড়ল, দাবি দেবাশিসের

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে রাসবিহারীর বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থীর বাড়িতে অভিযান শুরু করে আয়কর দফতর। অভিযান চলে নেতার নির্বাচনী কার্যালয়েও। মনোহরপুকুর রোডে বিধায়কের বাড়ির থেকে কয়েকশো মিটার দূরেই একটি ফ্ল্যাটে থাকেন তাঁর শাশুড়ি। ওই ফ্ল্যাটেও শুক্রবার ভোরে পৌঁছে যান আয়কর আধিকারিকেরা। বহুতল ওই ভবনের পঞ্চম তলে একটি ফ্ল্যাটে থাকেন দেবাশিসের শাশুড়ি। একাই থাকেন সেখানে তিনি। এলাকার লোকেরা ফ্ল্যাটটিকে ‘দেবাদার ফ্ল্যাট’ বলেই জানেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পরে ওই ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যান আয়কর আধিকারিকেরা। তবে সেখানে ঠিক কী কারণে আয়কর দফতর তল্লাশি চালায়, তা জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেবাশিসকে একাধিক বার তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। রাজ্যে ভোট ঘোষণার পর থেকে অন্তত তিন বার তলব করা হয়েছিল তাঁকে। তার মধ্যে দু’বার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। একটি সংস্থার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। ওই সংস্থার আধিকারিকদের ফোন থেকে এবং তল্লাশিতে বেশ কিছু তথ্য উঠে আসে। সেই সূত্র ধরেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল দেবাশিসকে। কিন্তু তিনি ভোটের প্রচারের জন্য সময় চেয়েছিলেন এ বার তার ই মধ্যে রাসবিহারীর বিদায়ী বিধায়কের বাড়িতে, নির্বাচনী কার্যালয়ে হানা দিল আয়কর দফতর। অভিযান শেষে সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ আয়কর আধিকারিকদের একটি দল ব্যাগ, সুটকেস নিয়ে বেরোয় বিধায়কের বাড়ি থেকে। দিল্লি থেকে আসা আধিকারিকেরা তখনও ছিলেন সেখানে। প্রায় ১৫ ঘণ্টা পরে সেখান থেকে তাঁরাও বেরিয়ে যান। আয়কর দফতরের যে আধিকারিকেরা সন্ধ্যায় দেবাশিসের বাড়ি থেকে বেরোন, তাঁরা জানান ব্যাগটিতে প্রিন্টার রয়েছে। তবে সুটকেসে কী রয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে জানা যায়নি।

দেবাশিস জানান, সরকারি আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেছেন। যা জিজ্ঞাসা করেছেন, তিনি সে সবের জবাব দিয়েছেন। তবে বাড়ি-অফিসে আয়কর হানার পর আখেরে তাঁর উপকারই হয়েছে! রাত ৮টা নাগাদ পাঞ্জাবি-পাজামা পরিহিত দেবাশিস বাড়ির বাইরে বাইরে বেরিয়ে আসেন শান্ত ভাবে। কেটে কেটে তিনি বলেন, ‘‘রাসবিহারী কেন্দ্রের মানুষ এর উত্তর দেবে। যা নথি ছিল, দেখানো হয়েছে। এই ঘটনায় মার্জিন আরও বাড়ল।’’

নিশানায় মমতার প্রস্তাবক

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ ব্যবসায়ী তথা ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও শুক্রবার হানা দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা। মমতা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিতে চার ধর্মের চার ব্যক্তিকে প্রস্তাবক করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম মিরাজ। শুক্রবার রাসবিহারীর প্রার্থী, বিদায়ী বিধায়ক দেবাশিস কুমারের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়িতে আয়কর হানার মাঝেই এলগিন রোডে মিরাজের বাড়িতেও আইটি অভিযানের খবর মেলে। শাসকদলের অভিযোগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ইডিকে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি। এ ভাবে ভোটে জিততে চায় তারা। উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগেও মিরাজের বাড়িতে আয়কর হানা হয়েছিল।

গত ৮ এপ্রিল ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা মনোনয়ন জমা দেন। সর্বধর্মের সমন্বয়ের বার্তা দিতে সে দিন মমতার সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কোয়েল মল্লিকের স্বামী প্রযোজক নিসপাল সিংহ রানে। এ ছাড়া ছিলেন শিক্ষাবিদ মিরাজ, মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী ইসমত হাকিম এবং ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বাবলু সিংহ। মিরাজ ভবানীপুর এডুকেশন সোসাইটি কলেজের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। এলাকায় যথেষ্ট নামডাক রয়েছে তাঁর। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা মিরাজকে প্রস্তাবক হতে বলেছিলেন মমতা। পত্রপাঠ মিরাজ রাজিও হন। মমতার মননোয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে হাজিরও ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, রাত ৮টা নাগাদ মিরাজের বাড়ি থেকে আয়কর আধিকারিকেরা বেরিয়ে যান। তবে তার পর আরও একটি দল তাঁর বাড়িতে ঢোকে।

নিশানায় কালীঘাটের নেতাও

কালীঘাটের দাপুটে তৃণমূল নেতা কুমার সাহার মনোহর পুকুর রোডের বাড়িতেও শুক্রবার দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। শুক্রবার সকালে কালীঘাটের গ্রিক চার্চের কাছে কুমারের বাড়িতে হানা দেন আয়কর আধিকারিকেরা। দীর্ঘ তল্লাশির পরে দুপুরে কুমারের বাড়ি থেকে একে একে বেরিয়ে যান তাঁরা।

পেশায় ব্যবসায়ী কুমার তৃণমূলের ‘প্রভাবশালী’ নেতা হিসাবেও পরিচিত এলাকায়। কী কারণে তাঁর বাড়িতে আয়কর দফতর হানা দিয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। সূত্রের খবর, দেবাশিসের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ রয়েছে কুমারের। দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসাবে পরিচিত কুমার এক সময়ে কংগ্রেস করতেন। ছিলেন সোমেন মিত্রের অনুগামী। তাঁর সঙ্গেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন কুমার। পরে মতপার্থক্যের কারণে কংগ্রেসে ফিরে যান। তার পর আবার তৃণমূলে আসেন। সূত্রের খবর, ২০১৪ সালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের যুব সংগঠনের দায়িত্ব নেওয়ার পরবর্তী সময়ে তৃণমূলে গুরুত্ব বাড়তে শুরু করে কুমারের। বর্তমানে দক্ষিণ কলকাতার হাজরা এবং রাসবিহারী অঞ্চলে শাসকদলের সভা-সমিতিতে লোক ভরানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা থাকে তাঁর। দেবাশিস, তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী-সহ দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলের বিভিন্ন ‘মাথাদের’ সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে কুমারের। ৬৪ পল্লির দুর্গাপুজো তাঁরই পুজো বলে পরিচিত। কালীঘাট মন্দিরেও তাঁর ‘প্রভাব’ রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

কড়া প্রতিক্রিয়া তৃণমূলনেত্রী মমতার

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণণূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার অভিযোগ করেন, বিধানসভা ভোটের মুখে প্রচারে বাধা দিতেই অভিযান করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রার্থীকে ‘নজরবন্দি’ করা হচ্ছে। বিধায়ক দেবাশিস-সহ তৃণমূলের কয়েক জন নেতার বাড়িতে আয়কর দফতরের হানার দিনে দমদমের সেন্ট্রাল জেল ময়দান থেকে মমতা বলেন, ‘‘কাউন্সিলরেরা সাবধান। যে কোনও সময় হানা দিতে পারে। মাথা নত করবেন না। লড়ে যেতে হবে।’’

জনসভায় তৃণমূলনেত্রীর মন্তব্য, ‘‘সব এজেন্সিকে আমার অনুরোধ, একতরফা ভাবে একটা দলের জন্য কাজ করবেন না। দেশের জন্য কাজ করুন। আপনাদের সঙ্গে আমার কোনও শত্রুতা নেই।’’ তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিসের বা়ড়িতে আয়কর হানা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘তৃণমূলের প্রার্থীর বাড়িকে আয়কর হানা। প্রার্থী প্রচার করবেন কখন? এখন আটকে রাখা মানে তাঁর একটা গোটা দিন নষ্ট। ইডি, সিবিআই, আইটি সকলে তল্লাশি চালাচ্ছে। বিজেপির সরাসরি লড়াইয়ের হিম্মত নেই? ভোটে লড়া তো সাংবিধানিক অধিকার। আটকে রেখে তার অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। আমি আইনি পদক্ষেপ করব যতটা সম্ভব।’’

দমদমের সভার আগে কোচবিহারে মমতা বলেন, “এখানে বিজেপির বড় নেতা, জ়েড প্লাস নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। হরিদাস। এক এক জন ২০-২৫টা সেন্ট্রাল ফোর্স নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। বাড়ি থেকে বেরোলে কেউ তাকিয়েও দেখে না। গুন্ডামি করছে সেন্ট্রাল ফোর্সকে সঙ্গে নিয়ে। তাদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে না, শুধু তৃণমূলের। ক’টা বিজেপির (নেতার) বাড়ি তল্লাশি হয়েছে আমি জানতে চাই।” এর পরেই তাঁর সতর্কবার্তা— “ওরা যে অবস্থায় গিয়েছে, ওরা পার্টি অফিসও চেক করতে পারে। মানে শেষ মরণকামড়। ওই মরণকামড়ের বিষটা ভেঙে দিতে হবে। ওদের কোনও ভ্যালু নেই। ভোটের পরে জ়িরো। এখন সব দেখাচ্ছে। ভোটের আগে ইডি-টিডি, সিবিআই-টিবিআই করে। তার পরে আজ পর্যন্ত কোনও কেস ফয়সলা করতে পারে না। নির্লজ্জ। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আমি যদি ভয় না পাই, আপনারা কেন ভয় পাবেন!”

ভবানীপুরে মমতা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিতে চার ধর্মের চার ব্যক্তিকে প্রস্তাবক করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম মিরাজ। শুক্রবার এলগিন রোডে মিরাজের বাড়িতেও আইটি অভিযানের খবর মেলে। শাসকদলের অভিযোগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ইডিকে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি। মমতা কোচবিহারে বলেন, “আজ কালো টাকার হুন্ডি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বসে আছেন। আর তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে হানা দিচ্ছেন। প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে হানা দিচ্ছেন। আমার প্লেনে হানা করছেন। আমার নিরাপত্তাকর্মীদের উপর হানা দিচ্ছেন। নির্লজ্জ বেহায়া একটা রাজনৈতিক দল। সামনাসামনি লড়াই করতে পারে না। ভিতু। কাপুরুষ। ওদের বিসর্জন দিন।”

TMC Income Tax Raid ED Enforcement Directorate Raid ED Case IT Raid TMC MLA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy