— নিজস্ব চিত্র।
জলপাইগুড়ির জেলায় ডাবগ্রাম ফুলবাড়ী বিধানসভার ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন কানকাটা মোরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে চেয়ার টেবিল ভাঙচুর চালান এবং নির্বাচনের কাজে ব্যবহৃত পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার দলীয় কার্যালয়ের সামনে রাস্তায় জ্বালিয়ে দেন।
কোচবিহার দু’ নম্বর ব্লকের রাজারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের টাকাগাছ ঘাটপারে তৃণমূলের পার্টি অফিসের দখল নিল বিজেপি।
দিনহাটা কলেজে ভোট গণনা চলাকালীন দুপুর ২টো নাগাদ তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়াকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। সেই সময় বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা তাঁকে ঘিরে ধরে অশালীন মন্তব্য করতে থাকেন। পুলিশ সাংসদকে নিজেদের গাড়িতে উঠিয়ে অন্যত্র সরিয়ে নিতে গেলে, বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা জুতো দিয়ে ঢিল মারে তাঁর গাড়িতে বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ পুলিশের গাড়িতে করে এলাকা ছাড়েন তৃণমূল সাংসদ।
দিনহাটা শহর ব্লক সভাপতি বিশু ধরের উপর হামলা বিজেপি সমর্থকদের।
বিজেপি কর্মীরা বিজয় উল্লাস করায় বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কোচবিহারের সাহেব কলোনি এবং পাটছরা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি তিনজন বিজেপি কর্মী।
কোচবিহার শহরের পুর এলাকার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের জেলা সভাপতি নির্বাচনে দলীয় কার্যালয় তৈরি করেছিলেন। তৃণমূলের সেই দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর চালিয়ে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে দেওয়া হল বিজেপি কর্মী সমর্থকদের পক্ষ থেকে।
—নিজস্ব চিত্র।
ডানকুনিতেও তৃণমূলের অফিস ভাঙচুর করে দখল নেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। ডানকুনি পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার চিন্ময় নন্দীর পার্টি অফিস ভাঙচুর করে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে দেওয়া হয়। নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরেই তৃণমূলের অফিসে আক্রমণ করা হয়। যদিও চণ্ডীতলার তৃণমূল প্রার্থী স্বাতী খন্দকার জয়ী হয়েছেন।
পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বেড়ুগ্রামের দিঘিরপাড়ে বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বিধায়ক নবীন বাগের অনুগামীরা কল্যাণ ঘোষের বাড়িতে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ তৃণমূলের।
নদীয়ার নবদ্বীপ থানার রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দখল করার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। এ ছাড়াও দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন দু’টি দোকান ঘর ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ফলাফলের দিন নবদ্বীপ কেন্দ্র থেকে বিজেপি জয় লাভের পরই রেলগেট সংলগ্ন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। কাগজপত্র বাইরে বার করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। একই সঙ্গে দখল করা হয় দলীয় কার্যালয়। গোটা ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপির দিকে।
শান্তিপুরের হরিপুর পঞ্চায়েতের নীলকুঠি পাড়া এলাকায়, বুকে পেসমেকার লাগানো এক তৃণমূলকর্মীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বিজেপিকর্মীর বিরুদ্ধে।
অভিযোগ, তৃণমূল উপপ্রধানের বাড়ি ও বাইক ভাঙচুর করা হয়। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরেই সোমবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানার চুঁয়াপুর কদমতলা বটতলা এলাকা দিয়ে ডিজে বাজিয়ে বিজেপির বিজয় মিছিল ভাকুড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিপ্লব কুণ্ডুর বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় বিজেপির বিজয় মিছিলে থাকা ব্যক্তিরা বিপ্লবের বাড়িতে ভাঙচুর চালান ও বাড়ির সামনে রাখা বেশ কয়েকটি বাইকে ভাঙচুর করেন এবং পেট্রোল ঢেলে দেয় বলে অভিযোগ বিপ্লবের। ঘটনার খবর পেয়ে বহরমপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরেও। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে তাণ্ডব চালান কয়েক জন। ঘটনার ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছে তৃণমূল (যদিও ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডঠ কম)।
টালিগঞ্জে বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর কাছে ৬ হাজার ১৩ ভোটের ব্যবধানে হারেন অরূপ বিশ্বাস। রাতেই তাঁর বস্তি উন্নয়ন পর্ষদের অফিসের বাইরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল।
বিধানসভা ভোটে বিজেপির জয়ের পর থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার নানা প্রান্তে অশান্তির ঘটনা ঘটল। অভিযোগ, কলকাতা থেকে হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনার মতো নানা জায়গায় মারধর, তৃণমূল অফিস ভাঙচুর করা হচ্ছে।
দু’দফার ভোট নির্বিঘ্নে মিটেছে। কিন্তু সোমবার ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের নানা জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি শুরু হয়েছে।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy