Advertisement

নবান্ন অভিযান

নির্বাচনের আগে কড়া নজরদারি! পশ্চিমবঙ্গ–ঝাড়খণ্ড সীমানায় নাকা তল্লাশিতে বাজেয়াপ্ত প্রায় ১০ লক্ষ টাকা

নাকা তল্লাশির সময়ে আধিকারিকেরা টাকার বৈধ নথি চাওয়ায় গাড়ির আরোহীরা কোনও সন্তোষজনক কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। ফলে ওই অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ১৯:১২

— প্রতীকী চিত্র।

নির্বাচনের মুখে পশ্চিমবঙ্গ–ঝাড়খণ্ড সীমানায় জোরদার করা হয়েছে আন্ত-রাজ্য নাকা তল্লাশি। সেই তল্লাশিতেই রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

রবিবার গভীর রাতে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ডুবুর্ডিহি চেকপোস্টে নাকা তল্লাশি চলাকালীন ঝাড়খণ্ডের দিক থেকে আসানসোলগামী একটি চারচাকার গাড়িকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়ি থেকে নগদ ৪ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার হয়। উপস্থিত আধিকারিকেরা টাকার বৈধ নথি চাওয়ায় গাড়ির আরোহীরা কোনও সন্তোষজনক কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। ফলে ওই অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়।

এর পর সোমবার সকালেও একই চেকপোস্টে তল্লাশি চলাকালীন ঝাড়খণ্ডের দিক থেকে আসা আরও একটি চারচাকার গাড়িকে আটক করা হয়। তল্লাশিতে ওই গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৪ লক্ষ টাকা নগদ। এই নাকা তল্লাশিতে উপস্থিত ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, আবগারি দফতরের আধিকারিক, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ কর্মীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আগে অবৈধ নগদ লেনদেন ও বেআইনি কার্যকলাপ রুখতেই এই বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

প্রশাসন সূত্রে আরও জানা যায়, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সীমান্ত এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে এবং এই ধরনের তল্লাশি অভিযান আগামী দিনেও জারি থাকবে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Naka Checking West Bengal Assembly Election
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy